সৌদি আরবের রিয়াদে একটি সোফা কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত ১৬ জন প্রবাসী বাংলাদেশি প্রাণ হারিয়েছেন। রোববার স্থানীয় সময় দুপুর ২টার দিকে রিয়াদের শিফা থানাধীন মুসা সানাইয়া শিল্প এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। অগ্নিকাণ্ডে মৃতদেহগুলো পুড়ে যাওয়ায় তাদের শনাক্ত করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাস ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
নিহতদের মধ্যে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ১০ জন এবং নাটোর জেলার নলডাঙ্গা উপজেলার ৩ জন রয়েছেন বলে স্থানীয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে। আত্রাইয়ের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনিরুজ্জামান জানান, প্রাথমিকভাবে সাতজনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেলেও পরবর্তীতে তা বেড়ে ১০ জনে দাঁড়িয়েছে এবং নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। নিহতদের মধ্যে গন্ডগোহালী গ্রামের চারজন, বিষা গ্রামের দুজন এবং পারকাসুন্দা গ্রামের একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। এছাড়া নাটোরের খাজুরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হোসেন জানান, তার এলাকার অন্তত তিন বাসিন্দা এই অগ্নিকাণ্ডে মারা গেছেন।
দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও স্বজনদের বরাতে ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন জানান, দুপুর ২টার দিকে কারখানার কর্মীরা ঘুমিয়ে ছিলেন। তাদের মধ্যে একজন বাইরে চুল কাটাতে গিয়ে আগুন দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর শোয়া অবস্থায় ১৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করে। তবে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা ১৬ জন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম জানিয়েছেন, শ্রম কাউন্সেলরসহ দূতাবাসের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সাথে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করছেন। নিহতদের পরিচয় শনাক্তের পাশাপাশি তাদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণের বিষয়টিও নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। শোকের ছায়া নেমে এসেছে নিহতদের নিজ নিজ এলাকা ও গ্রামের বাড়িতে।
সৌদি আরবের রিয়াদে একটি সোফা কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৩ প্রবাসী বাংলাদেশি মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারিয়েছেন। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ১০ জন এবং পাশের নাটোর জেলার নলডাঙ্গা উপজেলার ৩ জন রয়েছেন বলে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। এ ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছ
এদিকে রাত সোয়া ১টার দিকে আত্রাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, রাত সাড়ে ১০টার দিকে সাতজনের মৃত্যুর বিষয়টি জানা গিয়েছিল। পরে ১০ জনের মৃত্যুর বিষয়টি জানা যায়। এখনও উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। তবে এই মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

















