বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রথম ছয় মাসেই তেল, গ্যাস ও বিদ্যুৎ খাতে তীব্র সংকট জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে শিল্প উৎপাদন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। সরকার এই চলমান সংকটের জন্য এলএনজি টার্মিনালে দুর্ঘটনা, আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং পূর্ববর্তী সরকারের আমদানি-নির্ভর জ্বালানি নীতিকে দায়ী করছে।
তবে জ্বালানি খাতের বিশ্লেষকদের অনেকেই মনে করেন, অতীতের নীতির প্রভাবের পাশাপাশি বর্তমান সরকারের ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতাও সংকটকে আরও তীব্র করেছে। সম্প্রতি, গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সারাদেশে লোডশেডিং সাড়ে তিন হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যায়। চলতি বছরের ১০ আগস্ট সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং হয়েছিল।
তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সাবেক সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের পর প্রথম ছয় মাসে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে বলেন, ছয় মাস কোনো বড় সমস্যা সমাধানের জন্য যথেষ্ট সময় নয়। তবে সংকট মোকাবিলায় সরকারের ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা রয়েছে। তার মতে, সংকটের প্রকৃতি ও কারণ যথাযথভাবে চিহ্নিত করে তা থেকে বের হওয়ার জন্য সরকারের দৃশ্যমান কোনো পরিকল্পনা এখনো দেখা যাচ্ছে না। অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ আরও বলেন, সরকার ছয় মাসে যে লক্ষণগুলো দেখাচ্ছে, এর একটা হচ্ছে ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কোনো মনোযোগ আমরা দেখিনি। গতিমুখ পরিবর্তনের কোনো চেষ্টা আমরা দেখিনি। সংকটকে যথাযথভাবে শনাক্ত করে সেখান থেকে বের হওয়ার রাস্তা বের করার ব্যাপারে কোনো উদ্যোগ দেখতে পাচ্ছি না। বরং দেশি-বিদেশি কিছু ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর ব্যবসা বাড়ানোর বিষয়ে সরকারের আগ্রহ বেশি দেখা যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
পাওয়ার সেলের সাবেক মহাপরিচালক বি. ডি. রহমতউল্লাহ মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের স্বল্পমেয়াদি উদ্যোগের ঘাটতি রয়েছে। তার মতে, যেকোনো সংকট মোকাবিলায় ক্রাশ, মিডটার্ম ও লংটার্ম—এই তিন ধরনের কর্মসূচি প্রয়োজন। সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা বলা হলেও তাৎক্ষণিক সংকট মোকাবিলায় কার্যকর কর্মসূচি এখনো স্পষ্ট নয়। বি. ডি. রহমতউল্লাহ বলেন, ক্রাশ প্রোগ্রামটা কী, তারা এখনো জানে না। অনেকের সঙ্গে আমি আলাপ করি, তারা কোনো আইডিয়া করতে পারছে না কীভাবে ইমিডিয়েটলি এই বিদ্যুৎ বিভ্রাট থেকে মুক্তি দেওয়া যাবে। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়, পাওয়ার সেল, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিতভাবে তাৎক্ষণিক কর্মসূচি নেওয়া প্রয়োজন।
অতীতে বিএনপি সরকারের আমলে বর্তমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রীর সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে তার বর্তমান ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন বি. ডি. রহমতউল্লাহ। তিনি বলেন, আগে তাকে দেখেছি অসম্ভব দৌড়াদৌড়ি করতে। অসম্ভব পরিশ্রম করতেন। শুক্রবারও রেস্ট পাইনি ওনার জন্য। বলতেন, চলেন সাইট দেখে আসি। ওই ড্রাইভটা এখন নাই। লোডশেডিং নিয়ে মন্ত্রীর সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, কয়েক দিন আগে বললেন, গ্রামে লোডশেডিং হয় না। এটা একজন মন্ত্রীর কথা হলো?
বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশে আমদানি ও ক্যাপটিভ বিদ্যুৎ মিলিয়ে ৩৩ হাজার মেগাওয়াটের বেশি উৎপাদন সক্ষমতা রয়েছে। এই সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে বর্তমান বিদ্যুৎ সংকট অনেকটাই সহনীয় পর্যায়ে আনা সম্ভব। তাদের মতে, বর্তমানে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো সর্বোচ্চ সক্ষমতায় চালানো যাচ্ছে না। পিক আওয়ারে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন বাড়ানোর সুযোগও পুরোপুরি কাজে লাগানো হচ্ছে না। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন বাড়ানো, দেশীয় গ্যাস ও এলএনজির দক্ষ ব্যবহার এবং নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন ব্যবস্থাপনা উন্নত করার মাধ্যমে স্বল্পমেয়াদে সংকটের চাপ কমানো সম্ভব।
ক্ষমতা গ্রহণের পর গত ছয় মাসে সরকার সাগরে গ্যাস অনুসন্ধানে তৎপরতা বাড়িয়েছে। গ্যাস আমদানি বাড়াতে নতুন এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণে চীনের একটি কোম্পানির সঙ্গে সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) ভিত্তিতে চুক্তির বিষয়েও আলোচনা চলছে। দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন বাড়াতে নতুন কূপ খনন ও পুরোনো কূপ পুনঃখনন এবং ভোলার গ্যাস পাইপলাইনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে সরকার। আগামী পাঁচ বছরে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রাও ঘোষণা করা হয়েছে। তবে সৌরবিদ্যুৎ সম্প্রসারণে বাজেটে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়ার ঘোষণা থাকলেও এর বাস্তবায়ন হয়নি বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের পরিকল্পনার একটি রূপরেখা সংসদে প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করবেন। পাশাপাশি নতুন করে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার খবরও গণমাধ্যমে এসেছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে আমদানি করা জ্বালানির ওপর বাংলাদেশের নির্ভরতা বেড়েছে। ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর তীব্র বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় জরুরি আইন করে রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে এলএনজি, কয়লা, ডিজেল ও ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো হয়। বিশেষ আইনের আওতায় দরপত্র ছাড়াই বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছিল। সে সময়ও অধ্যাপক আনু মুহাম্মদসহ জ্বালানি খাতের বিশেষজ্ঞরা এসব নীতির সমালোচনা করেছিলেন।
বর্তমান সরকার বলছে, অতীতের আমদানি-নির্ভরতার কারণে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় ভর্তুকির চাপও বাড়ছে। ফলে রাতারাতি এই সংকটের সমাধান সম্ভব নয়। সরকারের নীতিনির্ধারকদের কেউ কেউ বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে অন্তত দুই বছর সময় লাগতে পারে।
জ্বালানি খাতের বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান সংকটের পেছনে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিরও বড় ভূমিকা রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালির সংকটের কারণে তেল ও গ্যাসের আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ইরান যুদ্ধ শুরুর পর তেল ও গ্যাস আমদানির কয়েকটি চুক্তি বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ফলে অতিরিক্ত দামে স্পট মার্কেট থেকে জ্বালানি আমদানি করে চাহিদা পূরণ করতে হচ্ছে। এতে সরকারের ভর্তুকির চাপ বাড়ছে। তবে একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতার বিষয়টিও সামনে এসেছে। বিশ্লেষকদের কেউ কেউ বলছেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা ও কোম্পানিতে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা থাকা অনেক কর্মকর্তা বর্তমানে চাকরিচ্যুত বা অপসারিত হয়েছেন। এতে সংকট মোকাবিলায় প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এ ছাড়া গত দুই বছরে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ যথাসময়ে হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে।
অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ মনে করেন, বর্তমান সংকটের মূল কারণ গত দুই দশকের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নীতি। ২০১০ সালেই তৎকালীন সরকারকে বিদ্যুৎ খাতের সংকট সমাধানে জাতীয় সক্ষমতা বাড়ানো এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তখন সংকট মোকাবিলায় জরুরি পরিস্থিতির যুক্তি দেখিয়ে তেলভিত্তিক রেন্টাল ও কুইক রেন্টাল কেন্দ্র এবং কয়লা ও এলএনজিনির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদনের দিকে যাওয়া হয়। তার ভাষায়, এটা অনিবার্য পরিণতি। গত দুই দশক ধরে যে ধরনের নীতির মধ্যে দিয়ে গেছে বাংলাদেশ, সেটার অনিবার্য পরিণতি হচ্ছে এটা। কী কী নীতি কাঠামোর কারণে এই সমস্যাটা হলো, সেটা প্রথমে চিহ্নিত করতে হবে এবং বিকল্প পথে যাত্রা করতে হবে। বর্তমান সরকারও এলএনজি আমদানি বাড়ানো ও কয়লা উত্তোলনের দিকে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এসব পদক্ষেপ টেকসই সমাধান দেবে না। দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলন বাড়ানোর পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে গুরুত্ব দিতে হবে। ভোলা, ছাতকসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে থাকা গ্যাস দ্রুত উৎপাদনে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। বর্তমান পরিস্থিতির জন্য অতীত সরকারের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নীতিকেই অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করে আসছেন সরকারের নীতিনির্ধারকরা। সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারের তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান সংকট মোকাবিলায় নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরেন। তিনি জানান, এলএনজি টার্মিনালের ত্রুটি মেরামত করা হয়েছে। তবে বর্তমানে গ্যাস আমদানির কার্গো আসতে সমস্যা হচ্ছে। শিল্পকারখানার জন্য গ্যাসের ওপর চাপ কমাতে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সর্বোচ্চ পর্যায়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। ব্যবসায়ীদের বিদ্যুৎ বিল এককালীন পরিশোধের পরিবর্তে ১২ মাসে কিস্তিতে পরিশোধের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনার কথাও জানান উপদেষ্টা। ভোলা থেকে গ্যাস আনার জন্য পাইপলাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়েছে এবং এটি দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। দেশীয় উৎস থেকে দৈনিক ১ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলনের লক্ষ্যে ১৫০টি কূপ খনন ও পুনঃখননের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। জাহেদ উর রহমান বলেন, নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর জ্বালানির চাহিদা বেড়েছে—এটিও বর্তমান সংকটের অন্যতম কারণ। তিনি বলেন, আমরা জনগণের ক্রাইসিসের প্রতি সমব্যথী। তবে একই সঙ্গে এই কথাটা বলতে চাই—এই সংকটটা বহু বছরের পুঞ্জীভূত সমস্যা। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রায় দুই বছরের সময়ে স্থলভাগে গ্যাস অনুসন্ধানে পর্যাপ্ত উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বর্তমান সংকটের পেছনে অতীতের নীতির প্রভাব, আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা, যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা—সবকিছুরই ভূমিকা রয়েছে। তবে বিদ্যমান উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করে স্বল্পমেয়াদে সংকটের চাপ কমানোর সুযোগ রয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। দীর্ঘমেয়াদে আমদানি-নির্ভরতা কমানো, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলন বাড়ানো এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানোই হবে বড় চ্যালেঞ্জ। বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের জন্য এখন সবচেয়ে জরুরি হলো বিদ্যমান সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং একই সঙ্গে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি একটি সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা। জনগণের ভোগান্তি কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না গেলে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক—দুই ক্ষেত্রেই সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।

















