ঢাকা টেস্টের প্রথম দিন শেষে সেঞ্চুরির খুব কাছে পৌঁছে গেছেন ওপেনার সাদমান ইসলাম। আলোকস্বল্পতার কারণে দিনের খেলা যখন শেষ হয়, তখন ৯৯ রানে অপরাজিত ছিলেন এই ব্যাটার। প্রথম দিনের ৭৪ ওভার শেষে বাংলাদেশ ৩ উইকেট হারিয়ে ২০৭ রান সংগ্রহ করেছে। আগামীকাল সেঞ্চুরি পূর্ণ করতে সাদমানের প্রয়োজন আর মাত্র ১ রান।
ম্যাচের প্রথম দুই সেশনের মতো তৃতীয় সেশনের শুরুটাও ভালো ছিল বাংলাদেশের। সাদমান ইসলামের সঙ্গে তাওহীদ হৃদয়ের জুটি বেশ সাবলীলভাবে এগোচ্ছিল। তবে ৬৫.৫ ওভারের সময় রান নেওয়ার পর বাঁ পায়ের হাঁটুর নিচের অংশে ক্র্যাম্প অনুভব করলে হৃদয়কে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে মাঠ ছাড়তে হয়। স্ট্রেচারে করে তাকে মাঠের বাইরে নেওয়ার পর তার বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে কোনো আনুষ্ঠানিক আপডেট পাওয়া যায়নি।
হৃদয় মাঠ ছাড়ার পর লিটন দাস উইকেটে আসেন। তবে তিনি নামার পরপরই আলোকস্বল্পতায় খেলা বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় ৫০ মিনিট বিরতির পর খেলা পুনরায় শুরু হলেও মাত্র ৪ ওভার খেলা সম্ভব হয়। এরপর আম্পায়াররা স্টাম্পস ঘোষণা করেন। দিনের শেষে লিটন দাস ১০ রানে অপরাজিত আছেন।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশ প্রথম সেশনে ৯৬ রান তোলে ২ উইকেট হারিয়ে। দ্বিতীয় সেশনে তারা ১ উইকেট হারিয়ে আরও ৮১ রান যোগ করে। মুমিনুল হক এবং সাদমান ইসলাম দ্বিতীয় উইকেটে ৫৯ রানের জুটি গড়েন। তবে ২৮ রান করা মুমিনুল জোমেল ওয়ারিকানের বলে শামার জোসেফের হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন। এই ইনিংসের মাধ্যমে মুমিনুল প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১১ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছেন।
মধ্যাহ্নবিরতির পর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ১৯ রান করে ওয়ারিকানের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে ফেরেন। রিভিউ নিয়ে ক্যারিবীয়রা তার উইকেটটি আদায় করে নেয়। শান্তর বিদায়ের পর রানের গতি কিছুটা কমলেও সাদমান ও হৃদয় দেখেশুনে খেলে দ্বিতীয় সেশন পার করেন। হৃদয় মাঠ ছাড়ার আগে তাদের জুটিতে ৮৮ রান এসেছিল।

















