চিকিৎসা শেষে থাইল্যান্ডের ব্যাংকক থেকে দেশে ফিরেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। শুক্রবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম তাঁকে স্বাগত জানান। বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের গুঞ্জন নিয়ে প্রশ্নের জবাবে স্পিকার বলেন, রাষ্ট্রপতি কী করবেন বা না করবেন, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। তিনি আরও বলেন, যেহেতু তিনি দেশের বাইরে ছিলেন, তাই পদত্যাগের বিষয়টি তাঁর জানা নেই। তবে তিনি যোগ করেন, যদি রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করেন, তবে তা স্পিকারের কাছেই করবেন এবং সংসদীয় রীতি অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে।
নিজের সফর সংক্ষিপ্ত করার কারণ সম্পর্কে স্পিকার জানান, তাঁর কিছু ব্যক্তিগত কাজ রয়েছে এবং চিকিৎসা পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ায় তিনি নির্ধারিত সময়ের দুই দিন আগেই ফিরে এসেছেন। ১৯ জুলাই তিনি চিকিৎসার জন্য ঢাকা ত্যাগ করেছিলেন। স্পিকারের এই আগাম ফেরা রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের আলোচনাকে আরও জোরালো করেছে। নিয়মানুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে স্পিকারই ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত এই দায়িত্ব অব্যাহত থাকে।
সংবিধানের ধারা উল্লেখ করে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে স্পিকারের দায়িত্ব নেওয়ার বিষয়টি সাংবিধানিক। এদিকে বিভিন্ন দায়িত্বশীল সূত্র ও বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগের বিষয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং গত বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল পাঁচ বছরের জন্য দায়িত্ব গ্রহণ করা ৭৫ বছর বয়সী মো. সাহাবুদ্দিনের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিলে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁর পদত্যাগের বিষয়টি এখন আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।

















