ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ খুব শিগগিরই শেষ হয়ে যাবে বলে বিশ্বাস প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, তেহরানের সঙ্গে হরমুজ প্রণালি বিষয়ক একটি চুক্তি এখন সন্নিকটে। যদিও মার্কিন সামরিক বাহিনীর নির্দিষ্ট কিছু অস্ত্রের মজুত কমে যাওয়ার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেছেন, তবে তিনি জানান, প্রতিরক্ষা খাতের কোম্পানিগুলো প্যাট্রিয়ট ও টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রসহ নতুন অস্ত্রের উৎপাদন বাড়াচ্ছে।
এরই মধ্যে ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী করিম ঘারিবাবাদি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে তারা ইতিবাচক বার্তা পাচ্ছেন। তবে বার্তার উৎস বা প্রকৃতি নিয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু বলেননি। ঘারিবাবাদি জানান, ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে নিতে ওমানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় চুক্তিতে পৌঁছানো এবং হরমুজ প্রণালির সীমানা নির্ধারণ ইরানের জন্য অত্যন্ত জরুরি। অন্যদিকে, ইরানের পার্লামেন্টে হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ জোরদার করতে একটি খসড়া বিল নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এই আইনের আওতায় শত্রুভাবাপন্ন দেশগুলোর নৌযান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা ও জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।
ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের গালিবাফ ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে সামরিক হুমকি ও কূটনৈতিক আহ্বানের মধ্যবর্তী দোদুল্যমান নীতির সমালোচনা করেছেন। এদিকে, হরমুজ প্রণালির কেশম দ্বীপের কাছে ফের বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে, যাকে ইরান তাদের ‘শত্রুভাবাপন্ন লক্ষ্যবস্তু’র বিরুদ্ধে অভিযানের অংশ বলে দাবি করেছে। একই সময়ে দেশটির গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় কিরমান প্রদেশ থেকে মোসাদের হয়ে কাজ করার অভিযোগে ২১ জনকে গ্রেপ্তারের ঘোষণা দিয়েছে। বর্তমানে ইরান ও ওমান হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে একটি সাময়িক চুক্তির খসড়া চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

















