মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান বোয়িং থেকে উড়োজাহাজ কেনার বিষয়টি সম্পূর্ণ নিজেদের প্রয়োজনভিত্তিক বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির। সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি স্পষ্ট করেন যে, এই চুক্তির পেছনে কোনো গোপন এজেন্ডা নেই। তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, যাত্রীচাহিদা এবং জাতীয় পতাকাবাহী এয়ারলাইনসের ভবিষ্যৎ আন্তর্জাতিক কার্যক্রমের কথা বিবেচনা করেই সরকার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরের প্রয়োজনীয়তা যাচাই-বাছাই করছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, একটি উন্মুক্ত পরিবেশে স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই বোয়িং কেনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে, যেখানে হোয়াইট হাউসের নির্দেশে চারজন মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন। ঐতিহাসিকভাবেই বাংলাদেশ বোয়িংয়ের ভারী বিমান ব্যবহার করে আসছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এভিয়েশন হাব হওয়ার স্বপ্ন পূরণ এবং রুট সম্প্রসারণের জন্য মিশ্র বহরের প্রয়োজন রয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান বিমানের বহর আরও বাড়ানো জরুরি বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন ও এভিয়েশন খাতে সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ভবিষ্যতে প্রয়োজনে আরও উড়োজাহাজ কেনা হবে বলে জানান তিনি। এছাড়া, ঢাকা-নিউইয়র্ক ফ্লাইট পুনরায় চালু করার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে এ নিয়ে একটি কারিগরি মূল্যায়ন ও যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া চলছে। মূলত কারিগরি সমস্যার কারণেই এক সময় এই রুটের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছিল, যা এখন পুনরায় চালুর জন্য সরকার প্রয়োজনীয় সব বিষয় পর্যালোচনা করছে।

















