সার্বিয়া ভিসা দেওয়ার নামে কিছু ট্রাভেল এজেন্সির সমন্বয়ে গঠিত একটি চক্র শত শত যুবকের কাছ থেকে জনপ্রতি ৮ লাখ টাকা করে হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। মঙ্গলবার রাজধানীর ইস্কাটনে মন্ত্রণালয়ের নিজ দপ্তরে সার্বিয়া ম্যানপাওয়ারের দাবিতে আন্দোলনরতদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। এ সময় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক ও সচিব মো. মোখতার আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী জানান, যাদের ভিসা ও ওয়ার্ক পারমিট সঠিক আছে, তাদের ক্ষেত্রে ক্লিয়ারেন্স পেতে কোনো সমস্যা হবে না। তবে নথিপত্র সঠিক না থাকলে এবং যারা এই প্রতারণার সঙ্গে জড়িত, তাদের অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে। আন্দোলনকারীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, তাদের অনেকেই নিজেরা ট্রাভেল ও রিক্রুটিং এজেন্সির ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। তারা মন্ত্রণালয়ের কাছে কোনো বৈধ কাগজপত্র উপস্থাপন করতে পারেননি। অথচ যাদের ভিসা সঠিক আছে, তাদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিএমইটি ছাড়পত্র না পাওয়ার কথা বলে মন্ত্রণালয়ের সামনে জড়ো করা হয়েছে।
মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, দেশের স্বার্থ রক্ষা করে এবং কাজের নিশ্চয়তা যাচাই করেই কর্মী পাঠানো হবে। তিনি বলেন, আমরা এই পুরো প্রক্রিয়াকে একটি শৃঙ্খলার মধ্যে নিয়ে আসছি। বেসরকারি রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর চাহিদাপত্র যাচাইয়ের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, বৈধ পথে আসা চাহিদাপত্রগুলো প্রবাসী কল্যাণ হাইকমিশনের মাধ্যমে যাচাই করা হচ্ছে। তবে বোয়েসেলের মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর বিষয়ে তিনি অগ্রাধিকার দিচ্ছেন, কারণ এতে সরকারের নিয়ন্ত্রণ থাকে। বোয়েসেল আগামী ৮ অক্টোবরের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে বলে তিনি জানান।

















