প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো কঠিন সময়ে বিচলিত না হয়ে ধৈর্য ধারণ করাই প্রকৃত মুমিনের পরিচয়। আল্লাহ তায়ালা বিভিন্ন বিপদাপদ দিয়ে মানুষকে সতর্ক করে থাকেন। এ প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘আমি অবশ্যই কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং জানমাল ও ফলফলাদির ক্ষতির মাধ্যমে তোমাদের পরীক্ষা করব। তুমি ধৈর্যশীলদের সুসংবাদ দাও, যারা নিজেদের বিপদ-মসিবতের সময় বলে, নিশ্চয় আমরা আল্লাহর জন্য এবং নিশ্চয় আমরা আল্লাহর কাছেই ফিরে যাব। তাদের ওপর রয়েছে তাদের রবের পক্ষ থেকে মাগফিরাত ও রহমত এবং তারাই হেদায়াতপ্রাপ্ত।’
প্রাকৃতিক দুর্যোগ যেমন ভূমিকম্প, সূর্যগ্রহণ, বন্যা বা প্রচণ্ড ঝোড়ো বাতাসের সময় ক্ষয়ক্ষতি থেকে বাঁচতে ইসলামে কিছু সুন্নতি আমলের নির্দেশনা রয়েছে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে সবার উচিত আল্লাহর কাছে তওবা করা, নিরাপত্তার জন্য দোয়া করা, তাঁকে বেশি বেশি স্মরণ করা এবং ক্ষমা প্রার্থনা করা। রাসুলুল্লাহ (সা.) নির্দেশ দিয়েছেন, দুর্যোগের সময় দ্রুততার সঙ্গে আল্লাহর জিকির ও তওবা করার জন্য।
দুর্যোগের সময় আল্লাহকে স্মরণ করার সর্বোত্তম উপায় হলো নামাজ পড়া, কোরআন তেলাওয়াত করা বা দোয়া-দরুদ পাঠ করা। এছাড়া ইস্তিগফার ও তাসবিহ পাঠের মাধ্যমেও আল্লাহর রহমত কামনা করা যায়। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে যে, প্রচণ্ড ঝোড়ো হাওয়া বইলে রাসুলুল্লাহ (সা.) মসজিদে যেতেন এবং নামাজে মশগুল হতেন (মিশকাতুল মাসাবিহ : ৬৯৬)।

















