মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের একটি নির্ভুল, গ্রহণযোগ্য ও পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের লক্ষ্যে সরকার কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি জানান, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে এ বিষয়ে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে অগণিত মানুষ শহীদ হয়েছেন। স্বাধীনতার পর যারা শহীদদের তালিকা প্রণয়নের দায়িত্ব পেয়েছিলেন, তারা যথাযথভাবে সেই দায়িত্ব পালন করতে পারেননি। বরং তৎকালীন তালিকা প্রণয়নের প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব যুক্ত হয়েছিল। তিনি উল্লেখ করেন, শহীদদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। তাই বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে বর্তমান সরকার নির্বাচনী ইশতেহারে গবেষণাভিত্তিক একটি নির্ভুল ও পূর্ণাঙ্গ শহীদ তালিকা প্রণয়নের অঙ্গীকার করেছে।
সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়েও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে বে-টার্মিনাল বাস্তবায়নের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এটি চালু হলে বড় আকারের মাদার ভেসেল সরাসরি চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়তে পারবে, যা আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম বন্দরের কোনো কাজে দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি স্পষ্ট করেন। রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধ ও দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানান তিনি।
এ ছাড়া ভবিষ্যতে ‘প্রধানমন্ত্রী গোল্ডকাপ’ টুর্নামেন্ট পুনরায় চালু করার পরিকল্পনার কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই টুর্নামেন্টে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।

















