বর্তমান সরকার সংবিধান ও জুলাই সনদ নিয়ে বিভ্রান্তিকর কাজে ব্যস্ত থাকলেও দেশের দ্রব্যমূল্য, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। সোমবার রাতে রাজধানীর মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকার বর্তমানে সংবিধান নিয়ে ব্যস্ত। পাশাপাশি জনগণের দাবি রুখে দিতে মন্ত্রী-মিনিস্টার এবং কখনো কখনো প্রধানমন্ত্রীও সংবিধানের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে নতুন নতুন ন্যারেটিভ তৈরিতে ব্যস্ত রয়েছেন। কিন্তু সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে সরাসরি জড়িত দ্রব্যমূল্য, গ্যাসের সংকট এবং বিদ্যুতের সীমাহীন লোডশেডিংয়ের মতো জনদুর্ভোগের দিকে তাদের কোনো নজর নেই। জামায়াতে ইসলামী জনবান্ধব রাজনৈতিক দল হিসেবে জনগণের এই কষ্টগুলো তুলে ধরাকে সময়ের দাবি বলে মনে করে।
গ্যাস সংকটের বিষয়ে তিনি বলেন, মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আমদানিকৃত গ্যাসের সরবরাহ উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। দীর্ঘমেয়াদে গ্যাস অনুসন্ধানে সরকারের বিনিয়োগ না থাকায় এই সংকট আরও ঘনীভূত হয়েছে। এর ফলে শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। একইসঙ্গে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের ব্যয় বহুগুণ বেড়েছে এবং গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় চলতে পারছে না।
বিদ্যুৎ পরিস্থিতির সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, সরকার ভূতুড়ে বিল নিয়ন্ত্রণ করতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। ব্যবহার না করলেও গ্রাহকদের হাতে অতিরিক্ত বিল ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া মূল্যস্ফীতির মধ্যে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বারবার বাড়ানো হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করেছে। সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
তিনি আরো বলেন, ভূতুড়ে বিল নিয়ন্ত্রণের একটা ব্যর্থতা এই সরকারের। যা ব্যয় ব্যবহার হয় না, সেরকম মাত্রারিক্ত ভূতুড়ে বিল মানুষের বাড়িতে আসছে। সমাধান করবে বলে কথা বলেছিল, কিন্তু সমাধান হচ্ছে না। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। মূল্যস্ফীতির মধ্য দিয়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোয় সাধারণ মানুষের মাসিক ব্যয় আরও বেড়েছে। ২৪ থেকে ২৬ সালের

















