দীর্ঘ ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে নেমেছে বাংলাদেশ। ২০০৩ সালের পর প্রথমবারের মতো দেশটিতে টেস্ট খেলতে নামা টাইগাররা বৃহস্পতিবার ডারউইনের মারারা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরেছে। দুই ম্যাচের সিরিজের প্রথম টেস্টে টস জিতে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক প্যাট কামিন্স।
টস হারলেও হতাশ নন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তিনি জানান, উইকেটের প্রাথমিক আর্দ্রতা কাজে লাগিয়ে অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটারদের চাপে ফেলার পরিকল্পনা তাদের রয়েছে। এই ম্যাচে বাংলাদেশ দল সাজিয়েছে তিন পেসার ও দুই স্পিনার নিয়ে। বোলিং আক্রমণে তাসকিন আহমেদ, হাসান মাহমুদ ও এবাদত হোসেনের সঙ্গে আছেন তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ। ব্যাটিং লাইনআপে ওপেনিংয়ে তানজিদ হাসান তামিমের সঙ্গী সাদমান ইসলাম, আর মিডল অর্ডারে দায়িত্বে আছেন মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস।
প্রায় আট মাস পর টেস্টে ফেরা অস্ট্রেলিয়া দলে চোট কাটিয়ে ফিরেছেন জশ হ্যাজলউড। তবে বাদ পড়েছেন গত অ্যাশেজে ৩১ উইকেট নেওয়া স্কট বোল্যান্ড। দীর্ঘদিন পর একসঙ্গে কামিন্স, স্টার্ক ও হ্যাজলউডকে পাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। দলে স্পিনার নাথান লায়নও ফিরেছেন। অলরাউন্ডার হিসেবে আছেন ক্যামেরন গ্রিন ও বো ওয়েবস্টার। ব্যাটিংয়ের মূল ভরসা ট্রাভিস হেড, মারনাস লাবুশেন ও স্টিভ স্মিথ।
এই সিরিজে বেশ কিছু ব্যক্তিগত মাইলফলকের হাতছানি রয়েছে। মুশফিকুর রহিমের সামনে ৭ হাজার টেস্ট রানের মাইলফলক স্পর্শ করার সুযোগ। অন্যদিকে, স্টিভ স্মিথ বাংলাদেশের বিপক্ষে ক্যারিয়ারের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরির অপেক্ষায় আছেন। এছাড়া জশ হ্যাজলউড ৩০০ উইকেটের মাইলফলক থেকে মাত্র ৫ উইকেট দূরে আছেন। মিচেল স্টার্কের সামনেও রেকর্ড গড়ার সুযোগ, ৯ উইকেট পেলে তিনি কপিল দেবের ৪৩৪ উইকেট এবং ১০ উইকেট পেলে ডেল স্টেইনের ৪৩৯ উইকেটকে ছাড়িয়ে যাবেন।
বাংলাদেশ একাদশ: নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, সাদমান ইসলাম, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, লিটন দাস, হাসান মাহমুদ, এবাদত হোসেন, তাসকিন আহমেদ।
অস্ট্রেলিয়া একাদশ: প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), ট্রাভিস হেড, জেইক ওয়েদারাল্ড, মারনাস লাবুশেন, স্টিভ স্মিথ, ক্যামেরন গ্রিন, অ্যালেক্স ক্যারি, বো ওয়েবস্টার, মিচেল স্টার্ক, নাথান লায়ন, জশ হ্যাজলউড।

















