প্রকাশ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩: ০৪। সিরিজের মাঝপথে দলে সাতটি পরিবর্তন এনেও কোনো সুফল পেল না পাকিস্তান। এজবাস্টনে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম দিনে সফরকারী ব্যাটাররা ইংল্যান্ডের পেস আক্রমণের সামনে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছেন। দিনশেষে পাকিস্তান মাত্র ১৩৩ রানে অলআউট হয়ে গেছে। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ড দিনের খেলার শেষ পর্যায়ে ৩৫ রানে ২ উইকেট হারিয়েছে।
পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ ধসিয়ে দেওয়ার মূল কারিগর ছিলেন পেসার জশ টাং, যিনি একাই শিকার করেছেন ৪ উইকেট। এছাড়া অলি রবিনসন ও জোফ্রা আর্চার নিয়েছেন তিনটি করে উইকেট। প্রথম ঘণ্টাতেই পাকিস্তানের টপ অর্ডার পুরোপুরি ভেঙে পড়ে। ইনিংসের ১৫তম ওভার চলাকালীন মাত্র ৪৮ রানেই দলটি পাঁচ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল। অভিষিক্ত তিন ক্রিকেটারের কেউই ক্রিজে থিতু হতে পারেননি।
সাইম আইয়ুব এলবিডব্লিউর হাত থেকে একবার বেঁচে গেলেও পরেরবার পারেননি। এরপর রবিনসন তার টেস্ট ক্যারিয়ারের ১০০তম উইকেট তুলে নেন। আজান আওয়াইস বেন ডাকেটের হাতে জীবন পেয়েও টাংয়ের বলে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন। আব্দুল্লাহ শফিক ড্যান লরেন্সের দারুণ ক্যাচে সাজঘরে ফেরেন এবং শান মাসুদ আর্চারের বলে টপ-এজড হয়ে আউট হন। ২৬ রানে চার উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন অধিনায়ক বাবর আজম, কিন্তু টাংয়ের বলে অফ স্টাম্প উপড়ে গেলে ৭ রানেই তার লড়াই শেষ হয়।
দলের পক্ষে অভিজ্ঞ সৌদ শাকিল একাই লড়াই চালিয়েছেন। ৪৭ বলে ৪৩ রানের ইনিংস খেলে তিনি প্রতিরোধের চেষ্টা করেন। উইকেটকিপার গাজী ঘোরি অভিষেকে বাউন্ডারি মারলেও পরে এলবিডব্লিউ হন। আরেক অভিষিক্ত মোহাম্মদ ইমরান রান্ধওয়া টাংয়ের ইয়র্কারে বোল্ড হন। শেষদিকে রাজাউল্লাহ কিছুটা মারমুখী হওয়ার চেষ্টা করেও রবিনসনের শিকার হন। দশম উইকেটে মোহাম্মদ আব্বাস ও মোহাম্মদ আলীর ২৬ রানের জুটিই ছিল ইনিংসের সেরা, যা এই সিরিজে পাকিস্তানের ওপেনিং জুটির পেছনের পাঁচ ইনিংসের মোট রানের চেয়েও বেশি। শেষ পর্যন্ত আব্বাস আউট হলে ১৩৩ রানেই পাকিস্তানের ইনিংস থামে। আগের দুই টেস্ট হেরে পাকিস্তান এখন এই সফরে ধবল ধোলাইয়ের শঙ্কায় রয়েছে।

















