অন্যান্য

ভারত ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি বেসরকারি খাতে ছাড়ছে, কেন এই সিদ্ধান্ত?

প্রতিবেদক
মাগুরায় পুলিশ সদস্যকে থাপ্পড় দেওয়া সেই নাঈমুজ্জামান নয়ন গ্রেপ্তার মাগুরায় পুলিশ সদস্যকে থাপ্পড় দেওয়া সেই নাঈমুজ্জামান নয়ন গ্রেপ্তার গুমের ঘটনায় ভুক্তভোগী স্বজনদের নতুন আইনে ক্ষোভ ও উদ্বেগ গুমের ঘটনায় ভুক্তভোগী স্বজনদের নতুন আইনে ক্ষোভ ও উদ্বেগ মৃত্যুর আগেই নিজের শোকবার্তা লিখে অনন্য নজির গড়লেন মার্কিন নাগরিক মৃত্যুর আগেই নিজের শোকবার্তা লিখে অনন্য নজির গড়লেন মার্কিন নাগরিক গুম প্রতিরোধ আইন ভুক্তভোগীদের সরাসরি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গুম প্রতিরোধ আইন ভুক্তভোগীদের সরাসরি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আওয়ামী লীগের ফেরার সুযোগ নেই, মন্তব্য সারজিস আলমের আওয়ামী লীগের ফেরার সুযোগ নেই, মন্তব্য সারজিস আলমের ভেনেজুয়েলার সঙ্গে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় তেল চুক্তির ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার সঙ্গে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় তেল চুক্তির ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প আইনজীবীদের মামলার খুঁটিনাটি ও তদন্তে দক্ষ হওয়ার আহ্বান চিফ প্রসিকিউটরের আইনজীবীদের মামলার খুঁটিনাটি ও তদন্তে দক্ষ হওয়ার আহ্বান চিফ প্রসিকিউটরের মোংলা কাস্টমস্ এজেন্টস্ এসোসিয়েশনের নতুন কমিটির শপথ গ্রহণ মোংলা কাস্টমস্ এজেন্টস্ এসোসিয়েশনের নতুন কমিটির শপথ গ্রহণ গুমের প্রতিটি ঘটনার তদন্ত ও বিচার শুরু করেছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী গুমের প্রতিটি ঘটনার তদন্ত ও বিচার শুরু করেছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী গুমের দুই বিল নিয়ে উদ্বেগ, স্বাধীন তদন্তের দাবি বিশেষজ্ঞদের গুমের দুই বিল নিয়ে উদ্বেগ, স্বাধীন তদন্তের দাবি বিশেষজ্ঞদের
সব খবর

ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার এক বড় সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা (ডিআরডিও) নির্মিত সব প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার প্রযুক্তি ভারতীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তরের অনুমোদন দিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। অনলাইন আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তের ফলে এতদিন সরকারি প্রতিষ্ঠান ও গবেষণাগারের একচেটিয়া আধিপত্য থাকা এই খাতে বড় পরিবর্তন আসছে।

নির্দিষ্ট কারিগরি যোগ্যতা, সার্টিফিকেশন ও অন্যান্য নিয়ন্ত্রক শর্ত পূরণ সাপেক্ষে বেসরকারি কোম্পানিগুলো এখন এসব প্রযুক্তি ব্যবহার ও উৎপাদনের অধিকারের জন্য প্রতিযোগিতা করতে পারবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের দাবি, এর মূল লক্ষ্য হলো ক্ষেপণাস্ত্রের গবেষণা ও উন্নয়ন থেকে ব্যাপক উৎপাদনে দ্রুত পৌঁছানো, দেশে উৎপাদন বৃদ্ধি করা এবং আমদানিনির্ভরতা কমানো। তবে ভারতের বেসরকারি প্রতিরক্ষা শিল্প সেনাবাহিনীর প্রয়োজন অনুযায়ী জটিল ক্ষেপণাস্ত্র ব্যাপক পরিসরে ও নির্ভরযোগ্যভাবে তৈরি করার সক্ষমতা অর্জন করেছে কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো, প্রতিরক্ষা শিল্পের ভিত্তি শক্তিশালী করা এবং ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য প্রযুক্তি অংশীদারদের সরবরাহব্যবস্থায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি করা। এর মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার উন্নয়ন পর্যায় থেকে শিল্পভিত্তিক উৎপাদনে সফলভাবে রূপান্তর ঘটানো সম্ভব হবে বলে মন্ত্রণালয় আশা প্রকাশ করেছে।

ব্যাঙ্গালোরভিত্তিক তক্ষশিলা ইনস্টিটিউশনের গবেষক আদিত্য রামানাথন এই সিদ্ধান্তকে বেশ বিস্তৃত বলে অভিহিত করেছেন। তার মতে, এর মধ্যে ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র, আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র, অ্যান্টি রেডিয়েশন মিসাইল, অ্যান্টি ট্যাংক ব্যবস্থা এবং ল্যান্ড অ্যাটাক ক্রুজ মিসাইলের মতো ভারী অস্ত্রও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এতদিন ডিআরডিওর তৈরি অস্ত্র ব্যাপক পরিসরে উৎপাদনের ক্ষেত্রে ভারত মূলত রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিরক্ষা কোম্পানি, যেমন ভারত ডায়নামিকস, যারা ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনে প্রায় একচেটিয়া অবস্থানে ছিল, তাদের ওপর নির্ভরশীল ছিল। রামানাথনের মতে, মঙ্গলবারের ঘোষণা সেই একচেটিয়া ব্যবস্থা ভাঙার একটি বড় পদক্ষেপ।

বেসরকারি কোম্পানিগুলো বহু বছর ধরে ক্ষেপণাস্ত্রের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ তৈরি করলেও, নতুন সিদ্ধান্তের ফলে তারা সরবরাহব্যবস্থার আরও ওপরের স্তরে উঠে এসব ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার প্রধান সমন্বয়কারী বা নির্মাতা হতে পারবে। ভারত বর্তমানে নিজস্ব ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর অনেকটাই নির্ভর করলেও, রাশিয়া ও ইসরাইল থেকেও বিভিন্ন ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র আমদানি করে থাকে।

মোদি সরকারের আমলে ‘আত্মনির্ভর ভারত’ নীতির আওতায় প্রতিরক্ষা খাতে স্বনির্ভরতা বাড়ানোর উদ্যোগ জোরদার হয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশি প্রতিরক্ষা কোম্পানিগুলোকে ভারতেই উৎপাদনে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে দুই সীমান্তেই নিরাপত্তা অনিশ্চয়তা এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে ভারত গত এক দশকে প্রতিরক্ষা ব্যয় ব্যাপকভাবে বাড়িয়েছে। ২০১৪ সালে যেখানে দেশটির প্রতিরক্ষা বাজেট ছিল প্রায় ৩৮ বিলিয়ন ডলার, বর্তমান অর্থবছরে তা বেড়ে প্রায় ৮৬ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। গত বছর পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তানের সঙ্গে চার দিনের সংঘাতও ভারতের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতিতে নতুন তাগিদ তৈরি করেছে। চলতি বছরের প্রতিরক্ষা বাজেট আগের বছরের তুলনায় ১৬ শতাংশ বেশি। রামানাথনের মতে, ইউক্রেন যুদ্ধ, যুক্তরাষ্ট্রের ইরান যুদ্ধ এবং গত বছরের সামরিক অভিযানের অভিজ্ঞতাও ভারতের এই সিদ্ধান্তকে ত্বরান্বিত করেছে।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রের মজুত প্রয়োজন হবে, কারণ সাম্প্রতিক যুদ্ধগুলো দেখিয়েছে যে অস্ত্রের মজুত খুব দ্রুত শেষ হয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে প্রতিপক্ষও নির্ভুল আঘাত হানার অস্ত্র দিয়ে সেই মজুত ধ্বংস করতে পারে। চীনও ভারতের হিসাব-নিকাশে বড় ভূমিকা রাখছে। রামানাথনের ভাষায়, চীনকে, যাকে ভারত সবচেয়ে সক্ষম প্রতিপক্ষ হিসেবে বিবেচনা করে, তাকে নিরস্ত করতে হলে ভারতকে কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা ভয়াবহ যুদ্ধে আঘাত হানা এবং আঘাত সহ্য করার সক্ষমতা দেখাতে হবে। এ জন্য ভারত তিন বাহিনীকে নিয়ে একটি প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনীও গড়ে তুলছে। কার্যকর এই বাহিনী গড়তে বিপুল ক্ষেপণাস্ত্র মজুত প্রয়োজন হবে, যা বেসরকারি খাতের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া অর্জন করা কঠিন।

ভারতের বেসরকারি প্রতিরক্ষা শিল্প সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দ্রুত সম্প্রসারিত হয়েছে। জুনে ভারত দেশীয় নির্মাতাদের কাছ থেকে ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের সামরিক ড্রোন কেনার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছিল। দেশটির ড্রোন শিল্পে আদানি, লারসেন অ্যান্ড টুব্রো ও টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেমসের মতো বড় প্রতিষ্ঠানসহ ৬০০টিরও বেশি কোম্পানি যুক্ত রয়েছে। জুলাইয়ে ভারত ৫.৪৬ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সরঞ্জাম কেনার অনুমোদন দেয়, যার মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র, ইলেকট্রনিক যুদ্ধব্যবস্থা ও কামিকাজে ড্রোনও রয়েছে। ভারত একই সঙ্গে নৌবাহিনীর দ্রুত আধুনিকায়নের চেষ্টা করছে। চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলায় ভারত মহাসাগরের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোতে নিজেদের সক্ষমতা বাড়াতে ডিসেম্বরে অন্তত ৭৫টি জাহাজ ও সাবমেরিন সংগ্রহের পরিকল্পনা ঘোষণা করে, যার বেশির ভাগই দেশে নির্মাণের কথা।

অস্ত্র আমদানির উৎসও বৈচিত্র্যময় করার চেষ্টা করছে ভারত। দীর্ঘদিন রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল থাকার পর গত এক দশকে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও ক্রমবর্ধমানভাবে ইসরাইলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়িয়েছে নয়াদিল্লি।

ভারতের বড় বেসরকারি শিল্পগোষ্ঠীগুলো গত কয়েক বছরে গোলাবারুদ, ড্রোন, মহাকাশ প্রযুক্তি ও সামরিক ইলেকট্রনিকসে বিপুল বিনিয়োগ করেছে। সম্প্রতি ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের অবকাঠামো তৈরিতেও বিনিয়োগ শুরু হয়েছে। ভারতীয় শিল্পপতি গৌতম আদানির মালিকানাধীন আদানি ডিফেন্স অ্যান্ড অ্যারোস্পেস ২০২৪ সালে উত্তর প্রদেশে গোলাবারুদ ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কারখানায় ৩০ বিলিয়ন রুপির বেশি (প্রায় ৩১৫ মিলিয়ন ডলার) বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করে। এসব স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও নির্ভুল-নির্দেশিত গোলাবারুদের বিস্ফোরক ব্যবস্থাপনার সক্ষমতাও থাকার কথা। তবে শুধু বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়ে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করা যায় না। রামানাথনের মতে, শেষ পর্যন্ত এই উদ্যোগ সফল হবে কিনা, তা নির্ভর করবে সরকার বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে কত বড় অর্ডার দেয় তার ওপর।

ভারতের হাতে বিভিন্ন ধরনের ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, যার কয়েকটি পারমাণবিক ওয়ারহেড বহনেও সক্ষম। ২০২৫ সালে পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধের বার্ষিকীতে ভারত অগ্নি-৫ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালায়। এটি ভারতের সবচেয়ে উন্নত পারমাণবিক সক্ষমতাসম্পন্ন আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর একটি, যার পাল্লা প্রায় ৫,৫০০ কিলোমিটার। এটি চীনের পুরো ভূখণ্ড, মধ্যপ্রাচ্য এবং ইউরোপের কিছু অংশ পর্যন্ত পৌঁছাতে সক্ষম। ভারতের অন্যান্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা প্রিথ্বী-১-এর প্রায় ১৫০ কিলোমিটার থেকে অগ্নি-৪-এর প্রায় ৪,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত। এ ছাড়া রাশিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে তৈরি ব্রহ্মসের মতো শক্তিশালী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রও ভারতের হাতে রয়েছে, যার পাল্লা প্রায় ৫০০ কিলোমিটার এবং গত বছরের পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘাতেও এটি ব্যবহার করা হয়েছিল।

মাগুরায় পুলিশ সদস্যকে থাপ্পড় দেওয়া সেই নাঈমুজ্জামান নয়ন গ্রেপ্তার মাগুরায় পুলিশ সদস্যকে থাপ্পড় দেওয়া সেই নাঈমুজ্জামান নয়ন গ্রেপ্তার গুমের ঘটনায় ভুক্তভোগী স্বজনদের নতুন আইনে ক্ষোভ ও উদ্বেগ গুমের ঘটনায় ভুক্তভোগী স্বজনদের নতুন আইনে ক্ষোভ ও উদ্বেগ মৃত্যুর আগেই নিজের শোকবার্তা লিখে অনন্য নজির গড়লেন মার্কিন নাগরিক মৃত্যুর আগেই নিজের শোকবার্তা লিখে অনন্য নজির গড়লেন মার্কিন নাগরিক গুম প্রতিরোধ আইন ভুক্তভোগীদের সরাসরি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গুম প্রতিরোধ আইন ভুক্তভোগীদের সরাসরি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আওয়ামী লীগের ফেরার সুযোগ নেই, মন্তব্য সারজিস আলমের আওয়ামী লীগের ফেরার সুযোগ নেই, মন্তব্য সারজিস আলমের ভেনেজুয়েলার সঙ্গে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় তেল চুক্তির ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার সঙ্গে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় তেল চুক্তির ঘোষণা দিলেন ট্রাম্প আইনজীবীদের মামলার খুঁটিনাটি ও তদন্তে দক্ষ হওয়ার আহ্বান চিফ প্রসিকিউটরের আইনজীবীদের মামলার খুঁটিনাটি ও তদন্তে দক্ষ হওয়ার আহ্বান চিফ প্রসিকিউটরের মোংলা কাস্টমস্ এজেন্টস্ এসোসিয়েশনের নতুন কমিটির শপথ গ্রহণ মোংলা কাস্টমস্ এজেন্টস্ এসোসিয়েশনের নতুন কমিটির শপথ গ্রহণ গুমের প্রতিটি ঘটনার তদন্ত ও বিচার শুরু করেছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী গুমের প্রতিটি ঘটনার তদন্ত ও বিচার শুরু করেছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী গুমের দুই বিল নিয়ে উদ্বেগ, স্বাধীন তদন্তের দাবি বিশেষজ্ঞদের গুমের দুই বিল নিয়ে উদ্বেগ, স্বাধীন তদন্তের দাবি বিশেষজ্ঞদের
সব খবর