আইন ও আদালত

সম্পত্তি হস্তান্তর আইন: বাবা-মায়ের আজীবন ভোগদখলের অধিকার নিশ্চিত

প্রতিবেদক
শেখ হাসিনাকে ধরে আনতে চাই, দেশে মৃত্যুদণ্ড অপেক্ষা করছে: ডা. জাহেদ শেখ হাসিনাকে ধরে আনতে চাই, দেশে মৃত্যুদণ্ড অপেক্ষা করছে: ডা. জাহেদ বাঁধনের ওপর হামলা প্রমাণ করে তিনি সঠিক পথে ছিলেন: তথ্য উপদেষ্টা বাঁধনের ওপর হামলা প্রমাণ করে তিনি সঠিক পথে ছিলেন: তথ্য উপদেষ্টা গণপূর্তে সুশাসন ও স্বচ্ছতা ফেরাতে জিরো টলারেন্স নীতি গণপূর্তে সুশাসন ও স্বচ্ছতা ফেরাতে জিরো টলারেন্স নীতি আওয়ামী লীগ কোনো রাজনৈতিক দল নয়, এটি মাফিয়া গ্যাং: তথ্য উপদেষ্টা আওয়ামী লীগ কোনো রাজনৈতিক দল নয়, এটি মাফিয়া গ্যাং: তথ্য উপদেষ্টা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ১০ কর্মকর্তার রদবদল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ১০ কর্মকর্তার রদবদল রাজধানীতেও কিছুটা লোডশেডিং মেনে নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রাজধানীতেও কিছুটা লোডশেডিং মেনে নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা গুরুদাসপুরে র‍্যালি ও আলোচনার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত গুরুদাসপুরে র‍্যালি ও আলোচনার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদারকিতে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান গড়ার আহ্বান জাতিসংঘের বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদারকিতে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান গড়ার আহ্বান জাতিসংঘের সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু খাবার হজমের সঠিক সময় ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন খাবার হজমের সঠিক সময় ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন
সব খবর

সম্পত্তি দান করার পর দাতা নিজে জীবিত থাকা পর্যন্ত ওই সম্পত্তি ভোগ করতে পারবেন—এমন বিধান রেখে ‘১৮৮২ সালের দ্য ট্রান্সফার অব প্রোপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। এই আইনটি অসহায় বাবা-মায়ের সুরক্ষায় যুগান্তকারী পদক্ষেপ বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। গতকাল সোমবার জাতীয় সংসদের কার্যালয়ে প্রথম আলোর সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, সমাজে অনেক বাবা-মা সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দেওয়ার পর তাঁদের আশ্রয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অনেক সময় ক্যানসার আক্রান্ত বাবা-মা তাঁদের সম্পত্তি থাকা সত্ত্বেও তা ভোগ করতে পারছেন না। এমন পরিস্থিতিতে বাবা-মাকে সুরক্ষা দেওয়ার চিন্তা থেকেই এই আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে। তিনি বলেন, এই আইন বাবা-মাকে সুরক্ষা দেবে এবং মামলা-মোকদ্দমা বন্ধে সহায়ক হবে।

বিরোধী দলসহ বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন ও ব্যক্তি আইনটির বিরোধিতা করেছেন। তাঁরা বলছেন, এটি ২০১৩ সালের পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং কোরআন-সুন্নাহবিরোধী। তবে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এই আইনটি বাংলাদেশের মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ সব ধর্মের মানুষের জন্য প্রযোজ্য হবে এবং কারো ধর্মীয় আইনকে বাধাগ্রস্ত করবে না।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সুনির্দিষ্টভাবে ১২২-এর চার ধারায় উল্লেখ করা আছে যে, অন্যান্য আইনে যে হেবা বা গিফট বা অন্য যেকোনো ফরম্যাটই থাক না কেন, সেটা এই আইন দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত বা বাধাগ্রস্ত হবে না।’ তিনি বলেন, ‘কেউ যদি তাঁর ধর্ম অনুসারে চলতে চান, সেখানে আইন বাধা হবে না। এটা যাঁর ইচ্ছা করতে পারবেন। একটা অপশন রাখা হয়েছে।’

তিনি জানান, আইনটি করার আগে ইসলামি স্কলারদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিকভাবে কথা বলা হয়েছে। এমনকি জামায়াতপন্থী আইনজীবী শিশির মনিরও এই আইনের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে কোনো ভুল দেখেননি বলে জানিয়েছেন। আইনমন্ত্রী বলেন, হেবা (দান) থাকবে এবং মুসলিম পারিবারিক আইনে ১৯৬১ সালে আনা পরিবর্তনগুলোও সংরক্ষিত থাকবে।

সম্পত্তি দান করার পর দাতা নিজে জীবিত থাকা পর্যন্ত ওই সম্পত্তি ভোগ করতে পারবেন—এমন বিধান রেখে ‘১৮৮২ সালের দ্য ট্রান্সফার অব প্রোপার্টি (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। এই আইনটি অসহায় বাবা-মায়ের সুরক্ষায় যুগান্তকারী পদক্ষেপ বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। গতকাল সোমবার জাতীয় সংসদের কার্যালয়ে প্রথম আলোর সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, সমাজে অনেক বাবা-মা সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দেওয়ার পর তাঁদের আশ্রয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অনেক সময় ক্যানসার আক্রান্ত বাবা-মা তাঁদের সম্পত্তি থাকা সত্ত্বেও তা ভোগ করতে পারছেন না। এমন পরিস্থিতিতে বাবা-মাকে সুরক্ষা দেওয়ার চিন্তা থেকেই এই আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে। তিনি বলেন, এই আইন বাবা-মাকে সুরক্ষা দেবে এবং মামলা-মোকদ্দমা বন্ধে সহায়ক হবে।

বিরোধী দলসহ বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন ও ব্যক্তি আইনটির বিরোধিতা করেছেন। তাঁরা বলছেন, এটি ২০১৩ সালের পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং কোরআন-সুন্নাহবিরোধী। তবে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এই আইনটি বাংলাদেশের মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ সব ধর্মের মানুষের জন্য প্রযোজ্য হবে এবং কারো ধর্মীয় আইনকে বাধাগ্রস্ত করবে না।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সুনির্দিষ্টভাবে ১২২-এর চার ধারায় উল্লেখ করা আছে যে, অন্যান্য আইনে যে হেবা বা গিফট বা অন্য যেকোনো ফরম্যাটই থাক না কেন, সেটা এই আইন দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত বা বাধাগ্রস্ত হবে না।’ তিনি বলেন, ‘কেউ যদি তাঁর ধর্ম অনুসারে চলতে চান, সেখানে আইন বাধা হবে না। এটা যাঁর ইচ্ছা করতে পারবেন। একটা অপশন রাখা হয়েছে।’

তিনি জানান, আইনটি করার আগে ইসলামি স্কলারদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিকভাবে কথা বলা হয়েছে। এমনকি জামায়াতপন্থী আইনজীবী শিশির মনিরও এই আইনের মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে কোনো ভুল দেখেননি বলে জানিয়েছেন। আইনমন্ত্রী বলেন, হেবা (দান) থাকবে এবং মুসলিম পারিবারিক আইনে ১৯৬১ সালে আনা পরিবর্তনগুলোও সংরক্ষিত থাকবে।

সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগের সুযোগ রেখে বিল পাস, সংসদে বিতর্ক। বিভিন্ন ধর্মের সম্পত্তি ও উত্তরাধিকার আইন আলাদা। সবার ক্ষেত্রে প্রয়োগের জন্য সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি তৈরি হবে না?

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি তৈরি হবে না। কেউ যদি তাঁর ধর্ম অনুসারে চলতে চান, সেখানে আইন বাধা হবে না। এটা যাঁর ইচ্ছা করতে পারবেন। একটা অপশন রাখা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা ইনফরমালি (অনানুষ্ঠানিকভাবে) কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছি। এমনকি আমি জামায়াতের যাঁর নাম বললাম, শিশির মনির—হি ইজ আ গুড লইয়ার। আমি ওনার সঙ্গেও কথা বলেছি। তিনিও বলেছেন যে এখানে আমি কোনো ভুল দেখছি না।’

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘হেবা থাকবে। অবশ্যই থাকবে। সেটা আইনের মধ্যেই বলে দিয়েছি। আইনের ১২২ (এ)-এর চার—সেখানে সুস্পষ্টভাবে বলে দেওয়া হয়েছে। শুধু হেবা না, অন্য ধর্মের যে পারসোনাল ল আছে, সেখানেও টাচ করবে না। সব সংরক্ষিত।’

বিরোধী দল এই আইনের বিরোধিতা করছে, হেফাজতে ইসলামসহ অন্যান্য ধর্মীয় সংগঠনও প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে। আইনটি নিয়ে কি ধর্মীয় চাপ অনুভব করছেন?

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমি সেটা (চাপ) দেখি না। তাঁরা তাঁদের ব্যাখ্যা দিয়েছেন। আমি মনে করছি যে এটা তাঁদের ভুল ব্যাখ্যা। তাঁরা একদিকে বলছেন এ আইনটি ইসলামবিরোধী। আবার আরেক দিকে বলছেন অ্যামেন্ডমেন্ট এনে ওখানে একটা সংশোধনী দেন—১৯৩৭ সালের আইনও এখানে প্রযোজ্য হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আইনের এই পয়েন্টের ওপর সারা বিশ্বে কোথায় কী আইন আছে—এই পয়েন্টের ওপর মালয়েশিয়ান রেফারেন্স দিয়েছি, আমরা জর্ডানের রেফারেন্স দিয়েছি, সৌদি আরবের রেফারেন্স দিয়েছি, ইউএইর রেফারেন্স দিয়েছি, আমরা প্রিভি কাউন্সিলের রেফারেন্স দিয়েছি, ইন্ডিয়ান সুপ্রিম কোর্টের রেফারেন্স দিয়েছি, পাকিস্তান কোর্টের রেফারেন্স দিয়েছি। এটা আমরা ক্লিয়ার করেছি।’

ধরা যাক, একজন বাবা তাঁর বাড়ি ছেলেকে দান করলেন। কিন্তু নতুন আইনের অধীনে বাবা জীবিত থাকা অবস্থায় বাড়িটি ব্যবহার করবেন। তাহলে আইনগত মালিক কে—বাবা নাকি ছেলে?

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘ছেলে। যে মুহূর্তে দান করে দেওয়া হলো, সেই মুহূর্ত থেকে ছেলে মালিক।’

এখন যদি ভোগাধিকার না দেন ছেলে, তাহলে কী হবে?

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সেখানে একটা অপশন রেখেছি। জেলা জজের কাছে সরাসরি একটা পিটিশন উনি করতে পারবেন।’

তো তাহলে ভরণপোষণ আইনে যেভাবে কোর্টে যেতে হচ্ছে, এখানেও তো তাহলে…।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এটা খুব রেয়ার (কদাচিৎ) হবে। কারণ, এই আইনটা এতটা স্পষ্ট করা হয়েছে যে এখানে কোনো ছেলে আর ওই সুযোগ নিতে পারবে না।’

দাতা কি পরে তাঁর দেওয়া সম্পত্তি বিক্রি, বন্ধক বা অন্য কারও কাছে হস্তান্তর করতে পারবেন? পারলে গ্রহীতার অধিকার কোথায় থাকবে?

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘পারবেন না। উনি শুধু ভোগ করতে পারবেন। এখানেই হেবার সঙ্গে পার্থক্যের জায়গাটা।’

এই আইনের সুযোগ নিয়ে উত্তরাধিকার আইনকে পাশ কাটিয়ে জীবিত অবস্থায় সম্পত্তি বণ্টনের নতুন কৌশল নিতে পারবেন—এমন আশঙ্কা আছে?

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সেটা আপাতত দেখছি না।’

সেটা তো হেবাতেও আছে। বাবা যদি মনে করেন, তাঁর সমস্ত সম্পত্তি একজন ছেলেকে দান করে দেবেন—হেবাতেও তো সেটা পারবেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সেটা তো হেবাতেও আছে। বাবা যদি মনে করেন, তাঁর সমস্ত সম্পত্তি একজন ছেলেকে দান করে দেবেন—হেবাতেও তো সেটা পারবেন।’

এটা কি ইসলামিক আইনের সঙ্গে, মানে আমাদের যে উত্তরাধিকার আইন যেভাবে আছে, ওটার সঙ্গে কন্ট্রাডিক্ট করবে?

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো কন্ট্রাডিক্ট করে না। আমরা উদাহরণ হিসেবে বলেছি, ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইনে কয়েকটা পরিবর্তন এনেছিল। যুগান্তকারী পরিবর্তন। ধরেন, আমার সন্তান একটা আছে। আমার সন্তান মারা গেল আমার আগে। আমি যদি আগে মারা যেতাম, আমার ওই সন্তান ইসলামিক ল অনুসারে উত্তরাধিকার হতো। কিন্তু সে যদি আগে মারা যায়, তার সন্তানেরা, নাবালক সন্তানেরা কিন্তু আমার অংশ পাবে না। আমার থেকে তার বাবা যেটা পেত, সেটা পাবে না। ১৯৬১ সালে এসে বলল—না, ওই সন্তান যে অংশটা পেত, তার সন্তানেরা ওই অংশটা পাবে। তারপর ধরেন, ইসলামিক ল অনুসারে মুখে তিন তালাক বললে ডিভোর্স হয়ে যাচ্ছে। ১৯৬১ সালের আইনে বলল—না, তিন তালাক বললেই ডিভোর্স হবে না। তৃতীয়ত হলো, স্বামী–স্ত্রী ডিভোর্স হয়ে গেল। তাঁরা আবার বিয়ে করতে গেলে হিল্লা বিয়ের একটা বিধান ছিল। ১৯৬১ সালের আইনে বলল—না, হিল্লা বিয়ে বলে কিছু থাকবে না। তালাক চূড়ান্ত হয়ে গেছে। পরবর্তী সময়ে যদি মনে করেন, তাঁরা নতুন করে বিয়ে করতে পারবেন।’

বিরোধীদের অভিযোগ, সামাজিক সমস্যার সমাধান করতে গিয়ে শরিয়াহ বিধানকে পাশ কাটানো হচ্ছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এইটা ভুল কথা। বিরোধী দলের এক এমপি আজকে (সোমবার) আমাকে একটা মতামত পাঠিয়েছেন একজন স্কলারের। সেই মতামত হলো, হেবার ওপরে শর্ত বসানো যাবে না। আমিও বলছি, হেবার ওপর শর্ত বসানো যাবে না। সে কারণে আমি হেবাকে আনটাচ রাখছি। এটা ইসলামিক ল—আমি সেখানে হাত দিইনি।’

আইনটি যদি মুসলিমদের ক্ষেত্রে সমভাবে প্রযোজ্য হয়, তাহলে মুসলিম উত্তরাধিকার আইনের সঙ্গে সম্ভাব্য বিরোধ এড়াতে বিলে কোনো বিশেষ সুরক্ষা রাখা হয়েছে কি না?

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘হয়েছে।’

সেটা কী?

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘ওই যে ১২২(এ)-এর চার ধারা, সেখানে বলা আছে, ওই সমস্ত আইনকে কোনোভাবেই এই আইন বাধাগ্রস্ত করবে না।’

এখন এই যে জিনিসটা দেবে সম্পত্তি, একটা হচ্ছে প্রচলিত হেবাতে দেয়। এটা দেওয়ার পদ্ধতিটা কী হবে?

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘রেজিস্ট্রি করে দিতে হবে, যেভাবে হেবাতে দেওয়া হয়।’

এটার নাম কী হবে, এই রেজিস্ট্রিটা?

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘ওইটা দান। ইংরেজিতে যেটাকে গিফট বলা হয়েছে।’

নতুন বিধান দিয়ে আদালতে সম্পত্তি–সংক্রান্ত মামলা আরও বাড়তে পারে—এ আশঙ্কাও করছেন কেউ কেউ।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘এটা (সম্পত্তি–সংক্রান্ত মামলা) আরও কমবে।’

সম্পত্তি–সংক্রান্ত মামলার সংখ্যা কমবে—এর কোনো ব্যাখ্যা আছে, কীভাবে কমবে?

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘কারণ, এটা যখন বলা থাকবে, ক্লিয়ারলি যে জীবনস্বত্ব ভোগ করবেন, সেখানে সন্তানেরা যখন এটাকে ওইভাবে দেখবেন, তাঁরা এটা নিয়ে যখন ডিসপিউট করবেন না, তখন তাঁর ওনারশিপটা যেহেতু আগেই ডিসাইডেড—এটা নিয়ে কোনোভাবেই মামলা সংখ্যা বাড়বে না। আদালতে যেতে নিরুৎসাহিত হবেন।’

এই আইনটিতে বিশ্বের অন্যান্য দেশের কোনো রেফারেন্স আনা হয়েছে?

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বের অন্যান্য দেশের রেফারেন্স আমরা এনেছি। আমরা বলেছি, এ ধরনের সেপারেট গিফট, হেবার বাইরে যে এ ধরনের গিফটের বিধান বিশ্বের বিভিন্ন মুসলিম দেশে আছে। যেমন সৌদি আরবে দেখিয়েছি, মালয়েশিয়ায় দেখিয়েছি, ইউএইর ক্ষেত্রে দেখিয়েছি। এমনকি প্রিভি কাউন্সিল ১৯২২ সালে দিয়েছে। সেটা এ ধরনের আইনও নয়, হেবার ওপরেই বলেছে যে হেবার সময় হেবাতে যদি ইউসোফ্রাক্ট রাইট রাখে, তাহলে সেটা অবৈধ হবে না।’

বিরোধী দলকে বলব, আপনারা আইনটা ভালো করে পড়েন, ভালো করে বোঝেন এবং বাবা-মায়ের প্রতি সন্তানের যে দায়িত্ব, সে দায়িত্ব যে দিন দিন খুব ক্ষয়িষ্ণু ধারায় যাচ্ছে, সেটা থেকে বাবা-মাকে বিশেষ করে রক্ষা করার জন্য এইটা নিয়ে আপনারা যে ব্যাখ্যা দিচ্ছেন, ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছেন—সেখান থেকে ফিরে আসেন।

ইসলামিক স্কলারদের উদ্দেশে আমার কথা খুবই স্পষ্ট। আপনারা যেটা বলছেন, হেবাকে টাচ করা হয়েছে—আমি বলছি যে হেবাকে টাচ করা হয়নি। আপনারা ১২২-এর উপধারা চারটা ভালো করে দেখেন। সেখানে হেবা এবং ইসলামিক বা অন্য ধর্মের যে হস্তান্তরের পদ্ধতি বা অন্য আইনেও যদি অন্য কোনো পদ্ধতি থাকে, তাদের কোনোটাকে এটা ইফেক্ট (ক্ষতিগ্রস্ত) করবে না, টাচ করবে না।’

আপনি কি মনে করেন, এ আইনের কিছু পরিবর্তন বা সংযোজন প্রয়োজন?

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আপাতত আমি দেখছি না। ভবিষ্যতে প্র্যাকটিক্যাল ফিল্ডে গেলে যদি কোনো সমস্যা দেখা দেয়, তখন দেখা যাবে।’

বিরোধী দল থেকেও যদি কোনো প্রস্তাব আসে, এ ক্ষেত্রে সেটাকে রাখার সুযোগ আছে?

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘পজিটিভ কিছু এলে যদি মনে হয় যে আইনসংগতভাবে দেখার সুযোগ আছে, নিশ্চয়ই সেটা বিবেচনায় নেওয়া হবে।’

সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

মো. আসাদুজ্জামান: প্রথম আলোকেও ধন্যবাদ।

শেখ হাসিনাকে ধরে আনতে চাই, দেশে মৃত্যুদণ্ড অপেক্ষা করছে: ডা. জাহেদ শেখ হাসিনাকে ধরে আনতে চাই, দেশে মৃত্যুদণ্ড অপেক্ষা করছে: ডা. জাহেদ বাঁধনের ওপর হামলা প্রমাণ করে তিনি সঠিক পথে ছিলেন: তথ্য উপদেষ্টা বাঁধনের ওপর হামলা প্রমাণ করে তিনি সঠিক পথে ছিলেন: তথ্য উপদেষ্টা গণপূর্তে সুশাসন ও স্বচ্ছতা ফেরাতে জিরো টলারেন্স নীতি গণপূর্তে সুশাসন ও স্বচ্ছতা ফেরাতে জিরো টলারেন্স নীতি আওয়ামী লীগ কোনো রাজনৈতিক দল নয়, এটি মাফিয়া গ্যাং: তথ্য উপদেষ্টা আওয়ামী লীগ কোনো রাজনৈতিক দল নয়, এটি মাফিয়া গ্যাং: তথ্য উপদেষ্টা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ১০ কর্মকর্তার রদবদল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ১০ কর্মকর্তার রদবদল রাজধানীতেও কিছুটা লোডশেডিং মেনে নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রাজধানীতেও কিছুটা লোডশেডিং মেনে নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা গুরুদাসপুরে র‍্যালি ও আলোচনার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত গুরুদাসপুরে র‍্যালি ও আলোচনার মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদারকিতে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান গড়ার আহ্বান জাতিসংঘের বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদারকিতে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান গড়ার আহ্বান জাতিসংঘের সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু খাবার হজমের সঠিক সময় ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন খাবার হজমের সঠিক সময় ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন
সব খবর