বাংলাদেশ

গুমের ঘটনা তদন্তে স্বাধীন সংস্থা নিয়ে শঙ্কা

প্রতিবেদক
নেপাল ও চীনে ভয়াবহ বন্যা: মৃত ৭০০, নিখোঁজ ৩ হাজার নেপাল ও চীনে ভয়াবহ বন্যা: মৃত ৭০০, নিখোঁজ ৩ হাজার গাজীপুরের সাফারি পার্কে পর্যটক ও কর্মীদের সংঘর্ষ, আহত ৬ গাজীপুরের সাফারি পার্কে পর্যটক ও কর্মীদের সংঘর্ষ, আহত ৬ ট্রাম্প আমেরিকার ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত প্রেসিডেন্ট: এলিজাবেথ ওয়ারেন ট্রাম্প আমেরিকার ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত প্রেসিডেন্ট: এলিজাবেথ ওয়ারেন নেপালে ভয়াবহ বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩৪, নিখোঁজ আড়াই হাজার নেপালে ভয়াবহ বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩৪, নিখোঁজ আড়াই হাজার ৫৯ বছর বয়সে সাংবাদিকতায় স্নাতক বেলায়েত শেখ ৫৯ বছর বয়সে সাংবাদিকতায় স্নাতক বেলায়েত শেখ সড়ক দুর্ঘটনার কবলে অভিনেত্রী তাসনুভা তিশা সড়ক দুর্ঘটনার কবলে অভিনেত্রী তাসনুভা তিশা মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের জেরে বাংলাদেশে ৬ লাখ মানুষের চাকরি হারানোর ঝুঁকি মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের জেরে বাংলাদেশে ৬ লাখ মানুষের চাকরি হারানোর ঝুঁকি গুমের মাস্টারমাইন্ডদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জামায়াত আমিরের গুমের মাস্টারমাইন্ডদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জামায়াত আমিরের শুটিং থেকে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে অভিনেত্রী তাসনুভা তিশা শুটিং থেকে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে অভিনেত্রী তাসনুভা তিশা কর্মচারীর বেতন আটকে রাখা অমানবিক ও গর্হিত অপরাধ কর্মচারীর বেতন আটকে রাখা অমানবিক ও গর্হিত অপরাধ
সব খবর

বাগেরহাটের মোংলার মিরাজ শেখের চার মাস ধরে নিখোঁজ থাকার ঘটনাটি আবারও রাষ্ট্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে ওঠা গুমের অভিযোগের তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। গত ১০ এপ্রিল সন্ধ্যায় কোস্টগার্ড সদস্যরা তাঁকে তুলে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করলেও, তারা তা অস্বীকার করে আসছে। এই ঘটনার পর মিরাজ শেখের পরিবার সাধারণ ডায়েরি (জিডি), সংবাদ সম্মেলন, বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন এবং উচ্চ আদালতে গেলেও তাঁর সন্ধান মেলেনি। গত ১২ জুলাই হাইকোর্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টদের ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে মিরাজকে খুঁজে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেন। কিন্তু ২৪ আগস্টও পরিবার জানিয়েছে, সাড়ে চার মাস ধরে তাঁর অবস্থান অজানা।

এমন পরিস্থিতিতে, সংসদে নতুন ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ উত্থাপন হলেও, রাষ্ট্রীয় কোনো বাহিনীর বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ উঠলে তদন্তের স্বাধীনতা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন মানবাধিকার কর্মীরা। যদিও বিলে কোনো শৃঙ্খলা বাহিনী বা তার সদস্যের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ উঠলে সেই বাহিনী নিজে তদন্ত করতে পারবে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে, তবে তদন্তকারী সংস্থা বা দলটি অভিযুক্ত বাহিনীর বাইরে হলেও সেটি রাষ্ট্রের শৃঙ্খলা বাহিনীর কাঠামোর মধ্যেই থাকবে এবং কে তদন্ত করবে, তা সরকার নির্ধারণ করবে। এটি গুমের মতো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ তদন্তে একটি প্রাতিষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয়তাকে উপেক্ষা করে, যা অন্তর্বর্তী সরকারের করা ২০২৫ সালের অধ্যাদেশে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে কেন্দ্র করে করা হয়েছিল।

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে, ৩০ আগস্ট, বাংলাদেশ গুম থেকে প্রত্যেক মানুষের সুরক্ষা-সম্পর্কিত জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সনদে (আইসিপিপিইডি) যুক্ত হওয়ার দুই বছর পূর্ণ করেছে। এই প্রেক্ষাপটে, গুমের অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা স্বাধীন সংস্থা বা কর্তৃপক্ষকে দেওয়ার দাবি থাকলেও, সংসদে উত্থাপিত বিলে তা নেই। অন্তর্বর্তী সরকারের করা ২০২৫ সালের অধ্যাদেশে গুমের অভিযোগের তদন্তের নিয়ন্ত্রণ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের হাতে ছিল এবং কোথাও গোপন আটককেন্দ্র বা বন্দিশালা আছে সন্দেহ হলে কমিশন সেখানে যেতে পারত। কোনো ব্যক্তি গুম হলে তাঁকে পাওয়া বা তাঁর পরিণতি না জানা পর্যন্ত কমিশনের অনুসন্ধান চালিয়ে যাওয়ার বাধ্যবাধকতাও ছিল।

আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলের শুরু থেকে গুমের ঘটনা সামনে আসতে থাকে। ২০০৯ সালে দলটি ক্ষমতায় আসার বছরেই ১০টি গুমের ঘটনা নথিভুক্ত হয়, যা ২০১০ সালে বেড়ে ৩৪টিতে দাঁড়ায়। ২০১৩-১৪ সালের দিকে এ ধরনের ঘটনা বাড়তে থাকে এবং ভুক্তভোগীদের বড় অংশই ছিল রাজনৈতিক নেতা-কর্মী। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের ২২ দিন পর, ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে গুম-সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার। কমিশন ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত গুমের অভিযোগ অনুসন্ধান করে ১ হাজার ৫৬৯টি ঘটনাকে গুম হিসেবে বিবেচনায় নেয়।

গুম-সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের হিসাবে, ১ হাজার ২৮২ জন কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত বেআইনি ও গোপন আটকের পর ফিরে এসেছেন, ২৫১ জন আর ফেরেননি এবং আরও ৩৬ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে। কমিশন ধারণা দিয়েছে, বাস্তবে গুমের ঘটনা ৪ হাজার থেকে ৬ হাজার পর্যন্ত হতে পারে। কমিশনের অনুসন্ধানে আরেকটি বড় সীমাবদ্ধতাও সামনে এসেছে: দেড় হাজারের বেশি অভিযোগের মধ্যে মাত্র প্রায় ২৫০টি ঘটনায় ঘটনার নথিগত প্রমাণ পাওয়া গেছে। বাকিগুলোর নথিগত প্রমাণ না থাকার মূল কারণ থানায় জিডি গ্রহণ না করা। কমিশনের অনুসন্ধানে র‍্যাব, পুলিশ, পুলিশের গোয়েন্দা শাখা ডিবি ও কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) গুমের ঘটনায় সবচেয়ে বেশি সংশ্লিষ্টতা ছিল বলে উঠে এসেছে। এর পাশাপাশি ডিজিএফআই, এনএসআইসহ অন্য সংস্থার সংশ্লিষ্টতাও উঠে এসেছে।

অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক জারি করা ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য ছিল যে গুমের অভিযোগের তদন্ত সাধারণ পুলিশি কাঠামোর ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়নি। অভিযোগ সরাসরি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনে করা যেত এবং কমিশন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করত। ৯০ দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করার বিধান ছিল। কমিশনকে আটকস্থল পরিদর্শনের ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছিল। তবে অধ্যাদেশটি সংসদে বিল হিসেবে অনুমোদন না হওয়ায় কার্যকারিতা হারায়। বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে আরও সমৃদ্ধ ও ভালো আইন করা হবে।

২৭ জুলাই আইনের নতুন খসড়া প্রকাশ করে বিএনপি সরকার, যা ৩ আগস্ট মন্ত্রিসভা অনুমোদন দেয় এবং ২৭ আগস্ট সংসদে তোলা হয়। তবে বিলটি উত্থাপনের আগেই বিরোধী দলের সদস্যরা সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেন। তাঁদের অভিযোগ, অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার উদ্যোগগুলোর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের বদলে সরকার পৃথকভাবে ‘খণ্ডিত’ সংস্কার করছে। ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’–এর খসড়া প্রকাশের পর মতামতের জন্য মাত্র এক দিন সময় রাখাকে ‘প্রহসনমূলক’ বলে সমালোচনা করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।

সংসদে ওঠা বিলে গুমকে স্বতন্ত্র, আমলযোগ্য, জামিন-অযোগ্য ও আপস-অযোগ্য অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সাধারণ গুমের সাজা সর্বনিম্ন তিন বছর থেকে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন এবং সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা জরিমানা। গুমের ফলে মৃত্যু হলে, মরদেহ পাওয়া গেলে অথবা পাঁচ বছরেও ব্যক্তিকে জীবিত বা মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা না গেলে জড়িত ব্যক্তিদের মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন অথবা সর্বনিম্ন পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। গোপন আটককেন্দ্র স্থাপন ও পরিচালনা অপরাধ হবে এবং সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ‘কমান্ড রেসপনসিবিলিটি’ বা অধস্তনের অপরাধের দায়ও রাখা হয়েছে।

তবে, বিলের ১৪(৩) ধারা অনুযায়ী, কোনো বাহিনীর সদস্যের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ এলে সেই বাহিনী ওই ঘটনা তদন্ত করতে পারবে না—এই বিধানটি কতটা স্বাধীন হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে। গুম-সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের অনুসন্ধানে এসেছে যে, ভুক্তভোগীদের সাধারণত সাদাপোশাকে তুলে নেওয়া হতো এবং পরিচয় গোপন করতে এক বাহিনীর সদস্যরা অন্য বাহিনীর নাম ব্যবহার করতেন। ফলে পরিবার বা প্রত্যক্ষদর্শী যদি নিশ্চিত না হন কোন বাহিনী কাউকে তুলে নিয়েছে, তাহলে শুরুতেই এই ধারা কার্যকর করা কঠিন হতে পারে। দ্বিতীয় প্রশ্নটি তদন্তকারী প্রতিষ্ঠানের প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা নিয়ে। কারণ, অভিযুক্ত বাহিনীকে বাদ দেওয়া হলেও স্বাধীন কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে তদন্তের দায়িত্ব না দিয়ে তা রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা বাহিনীর কাঠামোর মধ্যেই থাকছে। গুমের অনেক ঘটনায় একাধিক আইনশৃঙ্খলা ও গোয়েন্দা সংস্থা যৌথভাবে কাজ করেছে, ফলে শুধু এক বাহিনীর পরিবর্তে আরেক বাহিনীকে তদন্তের দায়িত্ব দিলেই স্বার্থের সংঘাত দূর হবে কি না, সেই প্রশ্ন থেকে যায়।

জাতিসংঘের গুমবিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপের সদস্যরা বাংলাদেশ সফর শেষে স্বাধীন নজরদারি ও দায়মুক্তি বন্ধের সুপারিশ করেছিলেন। তাঁদের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, গুম হওয়া ব্যক্তিকে খোঁজা আর অপরাধীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি তদন্ত এক বিষয় নয়। গুমের খবর পাওয়া মাত্র আনুষ্ঠানিক অভিযোগ বা মামলার অপেক্ষা না করে অনুসন্ধান শুরু হওয়া উচিত এবং ব্যক্তির ভাগ্য ও অবস্থান পুরোপুরি পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত তা চালাতে হবে। বাগেরহাটের মিরাজ শেখের ঘটনাটি এই মানদণ্ডে একটি বাস্তব পরীক্ষা বলে মনে করেন মানবাধিকারকর্মীরা।

২০২৫ সালের অধ্যাদেশে প্রতিটি বিভাগ বা জেলায় প্রয়োজন অনুযায়ী আলাদা গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার ট্রাইব্যুনাল করার ব্যবস্থা ছিল। তবে সংসদে উত্থাপিত বিলে আলাদা গুম ট্রাইব্যুনালের কাঠামো রাখা হয়নি; বিচার হবে দায়রা জজ আদালতে। গুমের মামলায় সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থার নথি, কমান্ড চেইন, একাধিক বাহিনীর ভূমিকা, দীর্ঘ গোপন আটক এবং ডিজিটাল ও ফরেনসিক আলামতের মতো জটিল বিষয় থাকবে। সাধারণ দায়রা আদালতে বিচার হলে এসব মামলা পরিচালনার জন্য বিচারক, প্রসিকিউটর ও তদন্তকারীদের সেই সক্ষমতা আছে কি না, এমন বিষয়ও সামনে এসেছে।

২০২৫ সালের অধ্যাদেশে বিচার শেষে আদালত যদি নিশ্চিত হতেন যে গুমের অভিযোগটি জেনেশুনে মিথ্যা ও হয়রানির উদ্দেশ্যে করা হয়েছে, তাহলে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া যেত। বিলে এই সাজা বাড়িয়ে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, মিথ্যা অভিযোগ ঠেকানোর প্রয়োজনীয়তা থাকলেও গুমের ক্ষেত্রে এই বিধানটির প্রভাব অন্য অপরাধের চেয়ে আলাদা হতে পারে। কারণ, গুমের অভিযোগ সাধারণত রাষ্ট্রীয় কোনো বাহিনী বা ক্ষমতাশালী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আসে। সাক্ষী ও পরিবারের সদস্যরা এমনিতেই নিরাপত্তাহীনতায় থাকেন। অভিযোগ শেষ পর্যন্ত প্রমাণ করতে না পারা এবং ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা অভিযোগ করা—দুটির মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য বাস্তবে কীভাবে নিশ্চিত হবে, সেটি নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় গঠিত গুম-সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের সভাপতি বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী মনে করেন, কোন বাহিনী গুমে জড়িত, শুরুতেই তা ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে শনাক্ত করা কঠিন। তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে নিরাপদ হলো একটি স্বাধীন সংস্থার মাধ্যমে তদন্ত করা, যার নিয়ন্ত্রণ পুলিশ বা কোনো বাহিনীর হাতে থাকবে না। তাহলেই সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সম্ভব হবে।’

সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ‘কমান্ড রেসপনসিবিলিটি’ বা অধস্তনের অপরাধের দায়ও রাখা হয়েছে।.তদন্তের স্বাধীনতা নিয়ে সংশয়২০২২ সালের আগস্টে বিএনপি দেশে গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনায় জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছিল।সংসদে উত্থাপিত বিলের ১৪(৩) ধারা অনুযায়ী, কোনো বাহিনীর সদস্যের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ এলে সেই বাহিনী ওই ঘটনা তদন্ত করতে পারবে না।

নেপাল ও চীনে ভয়াবহ বন্যা: মৃত ৭০০, নিখোঁজ ৩ হাজার নেপাল ও চীনে ভয়াবহ বন্যা: মৃত ৭০০, নিখোঁজ ৩ হাজার গাজীপুরের সাফারি পার্কে পর্যটক ও কর্মীদের সংঘর্ষ, আহত ৬ গাজীপুরের সাফারি পার্কে পর্যটক ও কর্মীদের সংঘর্ষ, আহত ৬ ট্রাম্প আমেরিকার ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত প্রেসিডেন্ট: এলিজাবেথ ওয়ারেন ট্রাম্প আমেরিকার ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত প্রেসিডেন্ট: এলিজাবেথ ওয়ারেন নেপালে ভয়াবহ বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩৪, নিখোঁজ আড়াই হাজার নেপালে ভয়াবহ বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩৪, নিখোঁজ আড়াই হাজার ৫৯ বছর বয়সে সাংবাদিকতায় স্নাতক বেলায়েত শেখ ৫৯ বছর বয়সে সাংবাদিকতায় স্নাতক বেলায়েত শেখ সড়ক দুর্ঘটনার কবলে অভিনেত্রী তাসনুভা তিশা সড়ক দুর্ঘটনার কবলে অভিনেত্রী তাসনুভা তিশা মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের জেরে বাংলাদেশে ৬ লাখ মানুষের চাকরি হারানোর ঝুঁকি মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের জেরে বাংলাদেশে ৬ লাখ মানুষের চাকরি হারানোর ঝুঁকি গুমের মাস্টারমাইন্ডদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জামায়াত আমিরের গুমের মাস্টারমাইন্ডদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জামায়াত আমিরের শুটিং থেকে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে অভিনেত্রী তাসনুভা তিশা শুটিং থেকে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে অভিনেত্রী তাসনুভা তিশা কর্মচারীর বেতন আটকে রাখা অমানবিক ও গর্হিত অপরাধ কর্মচারীর বেতন আটকে রাখা অমানবিক ও গর্হিত অপরাধ
সব খবর