রাজনীতি

ভারতে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যক্রম বন্ধের অনুরোধ বাংলাদেশের

প্রতিবেদক
স্বৈরাচারের স্থান ডাস্টবিনে: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে জকসুর প্রতীকী কর্মসূচি স্বৈরাচারের স্থান ডাস্টবিনে: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে জকসুর প্রতীকী কর্মসূচি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ বিভাগের হুঁশিয়ারি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ বিভাগের হুঁশিয়ারি হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৯৬৭ জন হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৯৬৭ জন বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার রোধে কঠোর হুঁশিয়ারি বিদ্যুৎ বিভাগের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার রোধে কঠোর হুঁশিয়ারি বিদ্যুৎ বিভাগের দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু দ্রব্যমূল্য ও গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে সরকারের মাথাব্যথা নেই: জামায়াত দ্রব্যমূল্য ও গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে সরকারের মাথাব্যথা নেই: জামায়াত সন্তানকে সম্পত্তি দান করলেও ভোগদখল বজায় থাকবে বাবা-মায়ের সন্তানকে সম্পত্তি দান করলেও ভোগদখল বজায় থাকবে বাবা-মায়ের ভারত থেকে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্য রোধে ঢাকার আহ্বান ভারত থেকে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্য রোধে ঢাকার আহ্বান ঢাবিতে হারিকেন ও হাঁড়ি-পাতিল নিয়ে ছাত্রশক্তির বিক্ষোভ ঢাবিতে হারিকেন ও হাঁড়ি-পাতিল নিয়ে ছাত্রশক্তির বিক্ষোভ গুম প্রতিরোধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রেখে আইনের খসড়ায় মন্ত্রিসভার অনুমোদন গুম প্রতিরোধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রেখে আইনের খসড়ায় মন্ত্রিসভার অনুমোদন
সব খবর

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারতের মাটিতে কোনো ধরনের রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে না দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টা এই অনুরোধ ভারতীয় হাইকমিশনারের কাছে তুলে ধরেছেন। গত ৫ আগস্ট ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালিয়ে ভারতে চলে যান।

শেখ হাসিনা বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সভাপতি। তিনি ১৯৮১ সাল থেকে এই পদে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রথমবার ১৯৯৬ সালে, দ্বিতীয়বার ২০০৯ সালে এবং সর্বশেষ ২০১৪ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়ী হলে তিনি তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন।

১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন শেখ হাসিনা। তিনি বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের পাঁচ সন্তানের মধ্যে সবার বড়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৩ সালে তিনি স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। ছাত্রজীবনে তিনি সরকারি ইন্টারমিডিয়েট গার্লস কলেজের ছাত্রসংসদের সহসভাপতি ছিলেন, যেখানে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। একই কলেজের ছাত্রলীগ শাখার সাধারণ সম্পাদক এবং পরের বছর সভাপতি হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া, শেখ হাসিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের একজন সদস্য এবং ছাত্রলীগের রোকেয়া হল শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি দেশের সব গণ-আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। সে সময় শেখ হাসিনা ও তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা পশ্চিম জার্মানিতে অবস্থান করায় প্রাণে বেঁচে যান। এই ঘটনার পর তিনি রাজনৈতিক আশ্রয়ে ছয় বছর ভারতে অবস্থান করেন। ১৯৮০ সালে ইংল্যান্ডে থেকে তিনি স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন শুরু করেন এবং ১৯৮১ সালের ১৭ মে ছয় বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে দেশে ফিরে আসেন।

দেশে ফেরার পর শেখ হাসিনা রাজনীতিতে সক্রিয় হন। ১৯৮৬ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি তিনটি সংসদীয় আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। নব্বইয়ের ঐতিহাসিক গণ-আন্দোলনের অন্যতম নেতৃত্বদানকারী ছিলেন তিনি। ১৯৯১ সালের সংসদীয় নির্বাচনে তিনি পঞ্চম জাতীয় সংসদের বিরোধী দলের নেতা নির্বাচিত হন এবং রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকারব্যবস্থা পরিবর্তন করে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে সংগঠিত করেন। ২০০১ সালের সাধারণ নির্বাচনেও তিনি বিরোধী দলের নেতা নির্বাচিত হন।

রাজনৈতিক জীবনে শেখ হাসিনাকে বহুবার আটক ও গৃহবন্দী করা হয়েছে। ১৯৮৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সামরিক সরকার তাঁকে আটক করে ১৫ দিন অন্তরীণ রাখে। ১৯৮৪ সালের ফেব্রুয়ারি এবং নভেম্বর মাসে তাঁকে দুবার গৃহবন্দী করা হয়। ১৯৮৫ সালের ২ মার্চ তাঁকে আটক করে প্রায় তিন মাস গৃহবন্দী করে রাখা হয়। ১৯৮৬ সালের ১৫ অক্টোবর থেকে তিনি ১৫ দিন গৃহবন্দী ছিলেন। ১৯৮৭ সালের ১১ নভেম্বর তাঁকে গ্রেপ্তার করে এক মাস অন্তরীণ রাখা হয়। ১৯৮৯ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি শেখ হাসিনা গ্রেপ্তার হয়ে গৃহবন্দী হন এবং ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর তাঁকে বঙ্গবন্ধু ভবনে অন্তরীণ করা হয়। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ১৬ জুলাই তিনি কারাবন্দী হন এবং ১১ জুন মুক্তি পান। এরপর ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে তাঁর দল নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে ক্ষমতায় আসে।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এক ভয়াবহ হামলা চালানো হয়। বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে এক জনসভায় বক্তব্য শেষ করার পরপরই তাঁকে লক্ষ্য করে এক ডজনেরও বেশি আর্জেস গ্রেনেড ছোড়া হয়। এই লোমহর্ষক হামলায় শেখ হাসিনা প্রাণে রক্ষা পেলেও আইভি রহমানসহ তাঁর দলের ২২ নেতা-কর্মী নিহত হন এবং পাঁচ শতাধিক মানুষ আহত হন। এই হামলায় শেখ হাসিনা নিজেও কানে আঘাত পান।

শান্তি প্রতিষ্ঠা, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখার জন্য বিশ্বের বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রতিষ্ঠান শেখ হাসিনাকে বিভিন্ন ডিগ্রি এবং পুরস্কার প্রদান করেছে। ১৯৯৮ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামে সুদীর্ঘ ২৫ বছরের গৃহযুদ্ধ অবসানের ক্ষেত্রে তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য ইউনেসকো তাঁকে ‘হুপে-বোয়ানি’ শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করে। ২০০৯ সালে ভারতের ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল ট্রাস্ট শান্তি ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় অসামান্য ভূমিকা পালনের জন্য তাঁকে ইন্দিরা গান্ধী পুরস্কারে ভূষিত করে। এছাড়াও তিনি ব্রিটেনের গ্লোবাল ডাইভার্সিটি পুরস্কার এবং দুবার সাউথ সাউথ পুরস্কারে ভূষিত হন।

২০১৪ সালে ইউনেসকো তাঁকে ‘শান্তির বৃক্ষ’ এবং ২০১৫ সালে উইমেন ইন পার্লামেন্টস গ্লোবাল ফোরাম নারীর ক্ষমতায়নের জন্য তাঁকে রিজিওনাল লিডারশিপ পুরস্কার এবং গ্লোবাল সাউথ-সাউথ ডেভেলপমেন্ট এক্সপো-২০১৪ ভিশনারি পুরস্কারে ভূষিত করে। বাংলাদেশের কৃষির উন্নয়নে অব্যাহত সমর্থন, খাদ্য উৎপাদনে সয়ম্ভরতা অর্জন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়নে অবদানের জন্য আমেরিকার কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় ২০১৫ সালে তাঁকে সম্মাননা সনদ প্রদান করে। জাতিসংঘ পরিবেশ উন্নয়ন কর্মসূচি দেশে ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখার জন্য লিডারশিপ ক্যাটাগরিতে শেখ হাসিনাকে তাদের সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ-২০১৫’ পুরস্কারে ভূষিত করেছে। এছাড়াও টেকসই ডিজিটাল কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ) শেখ হাসিনাকে আইসিটি ইন সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড-২০১৫ প্রদান করে।

শেখ হাসিনা বেশ কয়েকটি গ্রন্থের রচয়িতা। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’, ‘ওরা টোকাই কেন?’, ‘বাংলাদেশে স্বৈরতন্ত্রের জন্ম’, ‘দারিদ্র্য বিমোচন, কিছু ভাবনা’, ‘আমার স্বপ্ন, আমার সংগ্রাম’, ‘আমরা জনগণের কথা বলতে এসেছি’, ‘সামরিকতন্ত্র বনাম গণতন্ত্র’, ‘সাদা কালো, সবুজ মাঠ পেরিয়ে’ এবং ‘Miles to Go, The Quest for Vision-2021’ ইত্যাদি।

ব্যক্তিগত জীবনে শেখ হাসিনা প্রযুক্তি, রান্না, সংগীত এবং বই পড়ার প্রতি আগ্রহী। তাঁর স্বামী আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পরমাণুবিজ্ঞানী ড. এম ওয়াজেদ মিয়া ২০০৯ সালের ৯ মে ইন্তেকাল করেন। শেখ হাসিনার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। ছেলে সজীব আহমেদ ওয়াজেদ একজন তথ্য প্রযুক্তিবিদ এবং তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা ছিলেন। মেয়ে সায়মা হোসেন ওয়াজেদ একজন মনোবিজ্ঞানী এবং তিনি অটিস্টিক শিশুদের কল্যাণে কাজ করছেন। শেখ হাসিনার নাতি-নাতনির সংখ্যা সাত জন।

ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তিনি দেশ থেকে পালিয়ে ভারতে চলে যান।

পার্বত্য চট্টগ্রামে সুদীর্ঘ ২৫ বছরের গৃহযুদ্ধ অবসানের ক্ষেত্রে শেখ হাসিনার অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৯৮ সালে ইউনেসকো তাঁকে ‘হুপে-বোয়ানি’ (Houphouet-Boigny) শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করে।

স্বৈরাচারের স্থান ডাস্টবিনে: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে জকসুর প্রতীকী কর্মসূচি স্বৈরাচারের স্থান ডাস্টবিনে: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে জকসুর প্রতীকী কর্মসূচি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ বিভাগের হুঁশিয়ারি অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ বিভাগের হুঁশিয়ারি হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৯৬৭ জন হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৯৬৭ জন বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার রোধে কঠোর হুঁশিয়ারি বিদ্যুৎ বিভাগের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার রোধে কঠোর হুঁশিয়ারি বিদ্যুৎ বিভাগের দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু দ্রব্যমূল্য ও গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে সরকারের মাথাব্যথা নেই: জামায়াত দ্রব্যমূল্য ও গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট নিয়ে সরকারের মাথাব্যথা নেই: জামায়াত সন্তানকে সম্পত্তি দান করলেও ভোগদখল বজায় থাকবে বাবা-মায়ের সন্তানকে সম্পত্তি দান করলেও ভোগদখল বজায় থাকবে বাবা-মায়ের ভারত থেকে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্য রোধে ঢাকার আহ্বান ভারত থেকে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্য রোধে ঢাকার আহ্বান ঢাবিতে হারিকেন ও হাঁড়ি-পাতিল নিয়ে ছাত্রশক্তির বিক্ষোভ ঢাবিতে হারিকেন ও হাঁড়ি-পাতিল নিয়ে ছাত্রশক্তির বিক্ষোভ গুম প্রতিরোধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রেখে আইনের খসড়ায় মন্ত্রিসভার অনুমোদন গুম প্রতিরোধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রেখে আইনের খসড়ায় মন্ত্রিসভার অনুমোদন
সব খবর