নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি ভাড়া বাসা থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ফার্মেসি বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফারজানা ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ফতুল্লা থানার ভুইঘর এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে পুলিশ এটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করলেও, ফারজানার পরিবার এটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে দাবি করেছে। ঘটনার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফারজানার স্বামী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী নাজমুল ইসলামকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
ফারজানার বড় ভাই আরিফুল ইসলাম জানান, তিন বছর আগে প্রেমের সম্পর্কে নাজমুল ও ফারজানা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পর নাজমুল বেকার থাকায় প্রায় এক বছর ফারজানার পরিবার তাকে আর্থিকভাবে সহায়তা করে। পরবর্তী সময়ে নাজমুল চাকরি পেলেও টাকার জন্য তিনি ফারজানার সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও মারধর করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। নির্যাতনের শিকার হয়ে ফারজানা এক পর্যায়ে বাবার বাড়িতে চলে যান এবং সেখানে চার মাস অবস্থান করেন। এ সময় নাজমুল তার কোনো খোঁজ নেননি। পরবর্তীতে পরিবারের পক্ষ থেকে নাজমুলের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। যদিও পারিবারিকভাবে সমঝোতার পর ফারজানাকে পুনরায় নাজমুলের বাসায় ফিরিয়ে নেওয়া হয় এবং মামলাটি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।
আরিফুল ইসলাম আরও জানান, শনিবার নাজমুলের দুলাভাই ফোন করে মামলা প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত হতে চেয়েছিলেন। এর কয়েক ঘণ্টা পর রাত ১০টার দিকে নাজমুল তাকে ফোন করে ফারজানার আত্মহত্যার খবর জানান। তবে পরিবার এটিকে আত্মহত্যা মানতে নারাজ এবং সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছে।
বাড়ির মালিক আব্দুল কাদের জানান, রাত সাড়ে ১০টার দিকে নাজমুল তাকে ডেকে জানান যে তার স্ত্রী আত্মহত্যা করেছে। পরে তিনি গিয়ে ফারজানাকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। আব্দুল কাদেরের ভাষ্যমতে, অতীতে তিনি অন্য একটি আত্মহত্যার মরদেহ নামানোর অভিজ্ঞতা থেকে ফারজানার মৃত্যুর ঘটনায় অমিল পেয়েছেন। তার মতে, আত্মহত্যার ক্ষেত্রে সাধারণত যে লক্ষণগুলো দেখা যায়, ফারজানার ক্ষেত্রে তা অনুপস্থিত ছিল।
ফতুল্লা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গাজী সুমন মাহতাব জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ফারজানাকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। বর্তমানে নাজমুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় একটি ভাড়া বাসা থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ফার্মেসি বিভাগের ২০১৯–২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফারজানা ইসলামের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় তার স্বামী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের ২০১৬–১৭ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী নাজমুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার ভুইঘর এলাকা থেকে ফারজানার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।ফারজানার বড় ভাই আরিফুল ইসলাম বলেন, তিন বছর আগে ভালোবেসে নাজম

















