চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে পাওয়া বৈদেশিক ঋণের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি অর্থ পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) রোববার প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাসটিতে নতুন করে ১৮০ দশমিক ১৮ মিলিয়ন ডলার ঋণ ছাড় হয়েছে। এর বিপরীতে আগের নেওয়া ঋণের সুদ ও আসল বাবদ পরিশোধ করতে হয়েছে ৪৫৩ দশমিক ২৩ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, প্রাপ্তির তুলনায় সরকারের নিট পরিশোধের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৭৩ দশমিক ০৫ মিলিয়ন ডলার।
ইআরডির তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মাসটিতে বৈদেশিক অর্থায়ন পাওয়ার চেয়ে বহির্দেশীয় ঋণের দায় মেটাতেই সরকারের বেশি অর্থ ব্যয় হয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে বৈদেশিক ঋণ হিসেবে ২০৮ দশমিক ০৪ মিলিয়ন ডলার ছাড় হয়েছিল। সেই তুলনায় চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ে নতুন ঋণ ছাড়ের পরিমাণ কমেছে ১৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
অন্যদিকে, আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ঋণ পরিশোধের ব্যয়ও বেড়েছে। গত অর্থবছরের প্রথম মাসে বাংলাদেশ ঋণের সুদ ও আসল বাবদ ৪৪৬ দশমিক ৬৮ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছিল। সেই হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে এই ব্যয় প্রায় ৪ শতাংশ বেড়েছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, বৈদেশিক ঋণের অর্থছাড়ের তুলনায় দায় পরিশোধের পরিমাণ বেশি হওয়া দেশের বৈদেশিক অর্থায়নের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে পুরোনো ঋণের কিস্তি ও সুদ পরিশোধের চাপ বাড়তে থাকলে তা উন্নয়ন প্রকল্পে নতুন অর্থায়নের পাশাপাশি সামগ্রিক বৈদেশিক মুদ্রার ব্যবস্থাপনায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
অন্যদিকে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাসে ঋণের সুদ ও আসল বাবদ ৪৪৬ দশমিক ৬৮ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছিল বাংলাদেশ। এক বছরের ব্যবধানে এ ব্যয় বেড়েছে প্রায় ৪ শতাংশ।















