সিলেট নগরের রায়নগরে গৃহকর্মীর সঙ্গে প্রেমের জেরে একাই তিনজনকে খুন করেছেন রংমিস্ত্রী বাবুল মিয়া। এই ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে পুলিশ বাবুলকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সে খুনের ঘটনা স্বীকার করেছে বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান পুলিশ কমিশনার সারোয়ার মুর্শেদ শামীম। তিনি বলেন, নিহত আব্দুস সাত্তার ও তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া বেগমের সঙ্গে পূর্ব পরিচয় ছিল বাবুলের। কাজের সুবাদে সে প্রায়ই ওই বাসায় যাতায়াত করত। সেখানে গৃহকর্মী তাহমিনার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
পুলিশ কমিশনার জানান, সকালে বাবুল মিয়া ওই বাসায় যায় এবং গৃহকর্মী তাহমিনা দরজা খুলে দেয়। এরপর বাবুল তাহমিনার রুমে গিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু করে। এক পর্যায়ে বাবুল চাকু দিয়ে তাহমিনাকে খুন করে। তাহমিনার চিৎকারে সুরাইয়া বেগম এগিয়ে এলে তাকেও খুন করা হয়। সর্বশেষ আব্দুস সাত্তারকে খুন করে বাবুল।
গ্রেপ্তারকৃত বাবুল মিয়া রায়নগর এলাকার আক্তার মিয়ার কলোনির বাসিন্দা। তার বাবার নাম মৃত নূর মিয়া এবং সে পেশায় রংমিস্ত্রী।
এদিকে, একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, গৃহকর্মীর চিৎকার শুনে সুরাইয়া বেগম এগিয়ে যান এবং পরে তারও চিৎকার শোনা যায়। পুলিশ জানায়, খুনের পর বাবুল বেলকোনি দিয়ে পালিয়ে যায় এবং পাশের ফ্ল্যাটের একটি স্থানে খুনে ব্যবহৃত ছুরি ফেলে দেয়।

















