বিশ্ব

মধ্যপ্রাচ্যে সেনা ও সামরিক ঘাঁটি কমানোর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রতিবেদক
ভোলায় সার কারখানা ও বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের বিশেষ পরিকল্পনা সরকারের ভোলায় সার কারখানা ও বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের বিশেষ পরিকল্পনা সরকারের রিকন্ডিশন্ড ইভি আমদানির সুযোগ চায় বারভিডা, আন্দোলনের হুঁশিয়ারি রিকন্ডিশন্ড ইভি আমদানির সুযোগ চায় বারভিডা, আন্দোলনের হুঁশিয়ারি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারালেন শিক্ষার্থী আরিফুল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারালেন শিক্ষার্থী আরিফুল রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্: কবিতার নতুন ভূগোল ও ভাষার কারিগর রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্: কবিতার নতুন ভূগোল ও ভাষার কারিগর আগামী ৫ বছরে কৃষিতে ডিজেল পাম্পের পরিবর্তে আসবে সৌর বিদ্যুৎ আগামী ৫ বছরে কৃষিতে ডিজেল পাম্পের পরিবর্তে আসবে সৌর বিদ্যুৎ ২০৩০ সালের মধ্যে ২০% বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে: প্রধানমন্ত্রী ২০৩০ সালের মধ্যে ২০% বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে: প্রধানমন্ত্রী সিঙ্গাপুরে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ আদালতের সিঙ্গাপুরে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ আদালতের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর নামের আগে সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর নামের আগে সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেশে হাম ও উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ জনের মৃত্যু দেশে হাম ও উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ জনের মৃত্যু ফ্যামিলি কার্ডের নামে টাকা হাতিয়ে নেত্রকোনায় এনসিপি নেত্রী গ্রেপ্তার ফ্যামিলি কার্ডের নামে টাকা হাতিয়ে নেত্রকোনায় এনসিপি নেত্রী গ্রেপ্তার
সব খবর

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সেনা ও সামরিক স্থাপনার সংখ্যা কমিয়ে আনার বিষয়ে নতুন করে পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের অবসান ঘটাতে পারলে আগামী বছর থেকেই এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে ছয়টি সূত্র নিশ্চিত করেছে। বিষয়টি নিয়ে সামরিক ও গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা পর্দার আড়ালে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে নাইন-ইলেভেনের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলে এটি হবে অন্যতম বড় পরিবর্তন। গত ২৫ বছর ধরে বিভিন্ন সংঘাত ও তথাকথিত সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের কারণে ইরাক, আফগানিস্তান, সিরিয়া, লিবিয়া ও ইয়েমেনের মতো দেশগুলোতে বারবার ফিরে আসতে হয়েছে ওয়াশিংটনকে। ইরাক ও আফগান যুদ্ধ এবং পরে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে কথিত সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান পরিচালনার জন্য স্থায়ী ঘাঁটি ও গোয়েন্দা স্থাপনার একটি বড় নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে যুক্তরাষ্ট্র।

বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ঘাঁটিতে প্রায় ৫০ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। এর পাশাপাশি দুটি বিমানবাহী রণতরি ও এক ডজনের বেশি ক্ষেপণাস্ত্রবিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজসহ বিপুল সামরিক সরঞ্জাম সেখানে অবস্থান করছে। তবে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মার্কিন ঘাঁটিগুলোর দুর্বলতা এখন স্পষ্ট। এই সংঘাতে ইতিমধ্যে ১৮ জন মার্কিন সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। মার্কিন সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারা এখন ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন উপস্থিতির ধরণ নিয়ে বিভিন্ন বিকল্প যাচাই করছেন। এর মধ্যে কিছু স্থাপনা নতুন করে নির্মাণ না করা এবং স্পর্শকাতর অভিযানগুলো স্থায়ী ঘাঁটি ছাড়া পরিচালনার বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে।

নিরাপত্তার স্বার্থে কিছু সামরিক স্থাপনা মাটির নিচে সরিয়ে নেওয়ার চিন্তাভাবনাও চলছে। একজন মার্কিন কর্মকর্তার ভাষ্যমতে, ঘাঁটিগুলোর দুর্বলতা সম্পর্কে জানা থাকলেও এতদিন বিষয়টি নিয়ে পর্যাপ্ত জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। আগামী বছর থেকেই সেনা মোতায়েনের কাঠামো পরিবর্তনের পরিকল্পনা থাকলেও ইরানের সঙ্গে সংঘাত চলমান থাকায় বিমান হামলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত অবস্থানগুলো এখনই ছেড়ে দেওয়ার সম্ভাবনা কম। এদিকে পেন্টাগন বা সিআইএ এ ধরনের অভ্যন্তরীণ আলোচনা নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। নাইন–ইলেভেনের ২ বছর পর ইরাকে আগ্রাসনের সময় মধ্যপ্রাচ্যে আনুমানিক ২ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন সেনা ছিল। উন্মুক্ত তথ্যের হিসাব অনুযায়ী, ২০০৭ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত এ সংখ্যা কখনো এক লাখের নিচে নামেনি। ২০১১ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা আফগানিস্তান থেকে সেনা কমানোর ঘোষণা দেন এবং ইরাক থেকেও যুদ্ধরত সেনা প্রত্যাহার করেন। পরবর্তীতে ওবামা প্রশাসন সেনা কমানোর উদ্যোগ নিলেও আইএসের উত্থানের পর সেনাসংখ্যা আবার ৩০ থেকে ৬০ হাজারের মধ্যে ওঠানামা করেছে। বর্তমানে সৌদি আরবের রিয়াদে সিআইএর একটি ঘাঁটিসহ বাহরাইন, কাতার ও কুয়েতের অনেক স্থাপনা ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে এসব ঘাঁটি পুনর্নির্মাণের ব্যয়ভার সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ওপর চাপানোর পরিকল্পনাও রয়েছে। মার্কিন সামরিক কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন যে, উপসাগরীয় দেশগুলোতে সেনা কমিয়ে আঞ্চলিক মিত্রদের ওপর প্রতিরক্ষার দায়িত্ব বাড়ানোর বিষয়ে তাদের আগ্রহ রয়েছে। তবে ইরানের সাথে সংঘাত নিরসনে কোনো চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছাতে না পারায় পরিস্থিতি এখনো অনিশ্চিত।

ভোলায় সার কারখানা ও বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের বিশেষ পরিকল্পনা সরকারের ভোলায় সার কারখানা ও বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের বিশেষ পরিকল্পনা সরকারের রিকন্ডিশন্ড ইভি আমদানির সুযোগ চায় বারভিডা, আন্দোলনের হুঁশিয়ারি রিকন্ডিশন্ড ইভি আমদানির সুযোগ চায় বারভিডা, আন্দোলনের হুঁশিয়ারি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারালেন শিক্ষার্থী আরিফুল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারালেন শিক্ষার্থী আরিফুল রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্: কবিতার নতুন ভূগোল ও ভাষার কারিগর রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্: কবিতার নতুন ভূগোল ও ভাষার কারিগর আগামী ৫ বছরে কৃষিতে ডিজেল পাম্পের পরিবর্তে আসবে সৌর বিদ্যুৎ আগামী ৫ বছরে কৃষিতে ডিজেল পাম্পের পরিবর্তে আসবে সৌর বিদ্যুৎ ২০৩০ সালের মধ্যে ২০% বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে: প্রধানমন্ত্রী ২০৩০ সালের মধ্যে ২০% বিদ্যুৎ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে: প্রধানমন্ত্রী সিঙ্গাপুরে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ আদালতের সিঙ্গাপুরে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামানের সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ আদালতের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর নামের আগে সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর নামের আগে সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেশে হাম ও উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ জনের মৃত্যু দেশে হাম ও উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ জনের মৃত্যু ফ্যামিলি কার্ডের নামে টাকা হাতিয়ে নেত্রকোনায় এনসিপি নেত্রী গ্রেপ্তার ফ্যামিলি কার্ডের নামে টাকা হাতিয়ে নেত্রকোনায় এনসিপি নেত্রী গ্রেপ্তার
সব খবর