সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। এই সাক্ষাতকালে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার বিষয়ে উভয় পক্ষ গুরুত্বারোপ করেন। আলোচনার অন্যতম প্রধান বিষয় ছিল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আধুনিকায়নের লক্ষ্যে এয়ারবাস ক্রয় প্রক্রিয়া।
মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, বর্তমানে বিমানের বহরে উড়োজাহাজের স্বল্পতা রয়েছে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, উড়োজাহাজ ক্রয়ের যেকোনো প্রক্রিয়া স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বজায় রেখেই সম্পন্ন করা হবে। জরুরি ভিত্তিতে বহরে উড়োজাহাজ যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং সরকার হাই লেভেল নেগোশিয়েশন কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ২০১৭ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের ওপর হাইরিস্ক কার্গো অ্যান্ড মেইল আরোপ করেছিল, যার ফলে কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের সময় ও খরচ উভয়ই বৃদ্ধি পায়। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পরপরই এই স্ট্যাটাস প্রত্যাহারে কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে। এছাড়া বিমানবন্দরে প্রয়োজনীয় ইডিসি স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। সাম্প্রতিক অডিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সিলেট ওসমানী বিমানবন্দর সন্তোষজনক রেটিং অর্জন করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক জানান, বাংলাদেশের হসপিটালিটি খাতের বিকাশে যুক্তরাজ্যের বিনিয়োগকারীরা আগ্রহী। এছাড়া বাংলাদেশ সরকারের এভিয়েশন হাব প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনায় যুক্তরাজ্য সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। পাশাপাশি, থার্ড টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের ক্ষেত্রে মেনজিস এভিয়েশনের সঙ্গে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কাজ করার আগ্রহের বিষয়টি নিয়েও বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

















