ইসলামে জুমার দিন অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও ফজিলতপূর্ণ একটি দিন। সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় এদিনে ইবাদত-বন্দেগির বিশেষ সুযোগ রয়েছে, তাই একজন মুসলমানের উচিত যথাযথভাবে দিনটি অতিবাহিত করা। জুমার দিনের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত আল্লাহর নৈকট্য অর্জন, গুনাহ থেকে তওবা করা এবং বেশি বেশি ইবাদত করা।
জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ আমলগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো গোসল করে পবিত্র হওয়া, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অর্জন, উত্তম পোশাক পরিধান এবং সুগন্ধি ব্যবহার করা। সামর্থ্য অনুযায়ী দ্রুত মসজিদে গিয়ে জুমার নামাজ আদায় করা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। নামাজের আগে মসজিদে উপস্থিত হয়ে নফল ইবাদত, কোরআন তিলাওয়াত ও জিকিরে সময় কাটানো উচিত।
এদিনে বেশি বেশি দরুদ শরিফ পাঠ করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ। এছাড়া জুমার দিনে সূরা কাহফ তিলাওয়াত করা, আল্লাহর জিকির করা, তওবা ও ইস্তিগফার করা এবং বেশি বেশি দোয়া করা উত্তম আমল। জুমার খুতবা শুরু হলে অত্যন্ত মনোযোগের সাথে তা শোনা এবং এ সময় যেকোনো ধরনের অপ্রয়োজনীয় কথা বলা থেকে বিরত থাকা জরুরি।
হাদিসে জুমার দিনে দোয়া কবুলের বিশেষ একটি সময়ের কথা উল্লেখ রয়েছে। তাই নিজের, পরিবার এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর কল্যাণের জন্য এদিনে বেশি বেশি দোয়া করা উচিত। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে জুমার দিনের এই গুরুত্বপূর্ণ আমলগুলো যথাযথভাবে পালন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

















