রাজনীতি

প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগে পদ্ধতিগত জটিলতা নিয়ে আলোচনা

প্রতিবেদক
জ্বালানি সংকট কাটাতে বাংলাদেশকে ৩২ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে জাপান জ্বালানি সংকট কাটাতে বাংলাদেশকে ৩২ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে জাপান ৩২ বছর পর আবারও বড়পর্দায় ফিরছে অক্ষয়-রাভিনার জনপ্রিয় ছবি মোহরা ৩২ বছর পর আবারও বড়পর্দায় ফিরছে অক্ষয়-রাভিনার জনপ্রিয় ছবি মোহরা এইচএসসির ফল প্রকাশের নতুন তারিখ ঘোষণা এইচএসসির ফল প্রকাশের নতুন তারিখ ঘোষণা ডেঙ্গুতে একদিনে রেকর্ড ১১ মৃত্যু, বছরে প্রাণহানি ৪০০ ছাড়াল ডেঙ্গুতে একদিনে রেকর্ড ১১ মৃত্যু, বছরে প্রাণহানি ৪০০ ছাড়াল রাজবাড়ীতে প্রকাশ্য দিবালোকে ব্যবসায়ী নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি রাজবাড়ীতে প্রকাশ্য দিবালোকে ব্যবসায়ী নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি নারীর সচ্ছলতা ও স্বনির্ভরতা সরকারের মূল অগ্রাধিকার: মাহ্দী আমিন নারীর সচ্ছলতা ও স্বনির্ভরতা সরকারের মূল অগ্রাধিকার: মাহ্দী আমিন জুলাই বিপ্লবে হামলার ঘটনায় মাকসুদ কামালসহ পাঁচজনের আত্মসমর্পণের নির্দেশ জুলাই বিপ্লবে হামলার ঘটনায় মাকসুদ কামালসহ পাঁচজনের আত্মসমর্পণের নির্দেশ নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যারিয়ার বিষয়ক রোডম্যাপ কর্মশালা অনুষ্ঠিত নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যারিয়ার বিষয়ক রোডম্যাপ কর্মশালা অনুষ্ঠিত দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি: ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ১১ জনের মৃত্যু দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি: ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ১১ জনের মৃত্যু স্বাস্থ্যসেবায় সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি জুবাইদা রহমানের আহ্বান স্বাস্থ্যসেবায় সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি জুবাইদা রহমানের আহ্বান
সব খবর

নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে কোনো মতপার্থক্য নেই। এই বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনাতেই রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। তবে, এই সরকার গঠনের পদ্ধতি এবং প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগের প্রক্রিয়া নিয়ে এখনো অস্পষ্টতা ও কিছু জটিলতা রয়ে গেছে।

একটি সংসদীয় বাছাই কমিটির মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচন করার প্রস্তাবে জুলাই সনদে ঐকমত্য থাকলেও, বাছাই প্রক্রিয়া নিয়ে কিছু ক্ষেত্রে রাজনৈতিক মতভিন্নতা দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে, সংবিধান সংশোধন–সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা কেমন হতে পারে, তা নিয়ে অংশীজনদের কাছ থেকে প্রস্তাব সংগ্রহ করছে। যদিও এখনো এই সরকারের রূপরেখা চূড়ান্ত হয়নি এবং প্রাপ্ত নতুন ধারণাটি কতটা বাস্তবসম্মত, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। সংবিধান সংশোধন কমিটিতে বিরোধী দল অংশ নিতে চায় না, যা রাজনৈতিক সংকটের একটি বড় কারণ হিসেবে বিবেচিত নির্বাচনকালীন সরকারব্যবস্থার রূপরেখা তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। যদি ঐকমত্যের ভিত্তিতে এই রূপরেখা ঠিক না করা যায়, তবে সামনে আবারও রাজনৈতিক সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থাকবে।

দেশে নির্বাচনকালীন সরকারব্যবস্থা নিয়ে রাজনৈতিক বিরোধ দীর্ঘদিনের। ১৯৯১ সালে একটি অন্তর্বর্তীকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন হলেও সংবিধানে এর কোনো অস্তিত্ব ছিল না। রাজনৈতিক আন্দোলনের মুখে ১৯৯৬ সালে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ২০১১ সালে আওয়ামী লীগের শাসনামলে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই ব্যবস্থা বাতিল করা হয়। গত বছর আপিল বিভাগের রায়ে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা–সংক্রান্ত বিধান পুনরুজ্জীবিত করার কথা বলা হয়। বর্তমান সরকারও এই ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার পক্ষে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সম্প্রতি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিষয়ে রাজনৈতিক সমঝোতা হয়েছে এবং সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে এই ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।

ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার বিধান যুক্ত করা হয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছিল, সর্বশেষ অবসরে যাওয়া প্রধান বিচারপতি হবেন এ সরকারের প্রধান উপদেষ্টা। যদি তিনি দায়িত্ব নিতে অস্বীকৃতি জানান, তবে তাঁর ঠিক আগে অবসরে যাওয়া প্রধান বিচারপতিকে প্রধান উপদেষ্টা করা হবে। যদি কোনো অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে পাওয়া না যায় বা তিনি দায়িত্ব নিতে অসম্মতি জানান, তাহলে আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের মধ্যে যিনি সর্বশেষে অবসরে গেছেন, তাঁকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। আপিল বিভাগের কোনো অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে পাওয়া না গেলে বা তাঁরা কেউ প্রধান উপদেষ্টা হতে রাজি না হলে, রাষ্ট্রপতি প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শ করে কোনো ব্যক্তিকে প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব দেবেন। সেভাবেও কাউকে পাওয়া না গেলে, রাষ্ট্রপতি তাঁর নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন।

২০০৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। তখন বিরোধী দল আওয়ামী লীগ অভিযোগ করেছিল যে, পছন্দের ব্যক্তিকে এ সরকারের প্রধান করতে বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা বাড়ানো হয়েছিল। এই নিয়ে দলটি আন্দোলন করে এবং ওই বছরের ২৮ অক্টোবর তাদের ‘লগি-বইঠা’ আন্দোলনে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত হন। এমন নৈরাজ্যকর পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে শপথ নেন। এই ঘটনার জের ধরে শেষ পর্যন্ত ‘ওয়ান-ইলেভেন’ আসে, অর্থাৎ ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে আরেকটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার শপথ নেয়।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফেরাতে রাজনৈতিক ঐকমত্য থাকলেও, রাষ্ট্রপতি এবং বিচার বিভাগকে এই প্রক্রিয়া থেকে দূরে রাখার পক্ষে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় জোরালো মত এসেছিল। বর্তমানে সংবিধান সংশোধন কমিটির মতবিনিময়েও অংশীজনদের অনেকেই বিচার বিভাগ ও রাষ্ট্রপতিকে বাইরে রেখে রূপরেখা তৈরির পরামর্শ দিচ্ছেন। এই কারণে প্রধান উপদেষ্টা কে হবেন এবং উপযুক্ত ব্যক্তিকে বাছাই করা হবে কীভাবে, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

জুলাই সনদে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা নিয়ে একটি বিস্তারিত রূপরেখা দেওয়া হয়েছে, যেখানে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা কে হবেন তা একটি সংসদীয় বাছাই কমিটির মাধ্যমে ঠিক করার কথা বলা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগের পর তিনি বাছাই কমিটির সঙ্গে পরামর্শক্রমে সর্বোচ্চ ১৫ জনকে উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগের জন্য নির্বাচন করবেন। তৎকালীন ক্ষমতাসীন বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় অংশ নেওয়া ৩০ দল ও জোটের সবাই এই প্রস্তাবে একমত হয়েছিল, তবে বাছাই প্রক্রিয়া নিয়ে কিছু মতভিন্নতা ছিল।

সনদের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়া বা অন্য কোনো কারণে সংসদ ভেঙে যাওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার ১৫ দিন আগে এবং মেয়াদ অবসান ছাড়া অন্য কোনো কারণে সংসদ ভেঙে গেলে, পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত করতে হবে।

জুলাই সনদে উল্লেখ করা হয়েছে, বাছাই কমিটিতে প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার (বিরোধী দল থেকে) এবং সংসদের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিরোধী দলের একজন প্রতিনিধি থাকবেন। কমিটি গঠিত হওয়ার পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল, সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দল এবং জাতীয় সংসদের স্বতন্ত্র সদস্যদের কাছ থেকে প্রধান উপদেষ্টা হওয়ার যোগ্য ব্যক্তির নাম চাওয়া হবে। একটি দল ও একজন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য কেবল একজন ব্যক্তির নাম প্রস্তাব করতে পারবেন। রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সংসদ সচিবালয়ে তাঁদের প্রস্তাবিত নাম জমা দেবেন। কমিটি নিজ উদ্যোগেও নাম অনুসন্ধান করতে পারবে। জামায়াতে ইসলামী নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের পরিবর্তে শুধু রাজনৈতিক দল রাখার পক্ষে ছিল।

এরপর ৭২ ঘণ্টার মধ্যে কমিটির সদস্যরা সভায় মিলিত হয়ে নিজেদের অনুসন্ধানে প্রাপ্ত এবং রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের কাছ থেকে পাওয়া নামগুলো নিয়ে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে একজনকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে বেছে নেবেন। ওই ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেবেন।

যদি ১২০ ঘণ্টার মধ্যে এই পদ্ধতিতে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে কোনো ব্যক্তিকে চূড়ান্ত করা সম্ভব না হয়, তবে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান উপদেষ্টা পদের জন্য সংসদের সরকারি দল বা জোট ৫ জন, প্রধান বিরোধী দল বা জোট ৫ জন এবং সংসদের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিরোধী দল দুজন ব্যক্তির নাম প্রস্তাব করবে। নামগুলো স্পিকার প্রকাশ করবেন। এর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সরকারি দল বা জোটের প্রস্তাবিত তালিকা থেকে প্রধান বিরোধী দল বা জোট যেকোনো একজনকে বেছে নেবে। একইভাবে প্রধান বিরোধী দল প্রস্তাবিত তালিকা থেকে সরকারি দল যেকোনো একজনকে বেছে নেবে। এভাবে পাওয়া নামগুলোর মধ্য থেকে যেকোনো একজনের ব্যাপারে যদি প্রস্তাবকারী দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য হয়, তবে তিনিই পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে মনোনীত হবেন; অথবা পাঁচ সদস্যের মধ্যে চারজন একমত হলে তিনি প্রধান উপদেষ্টা হবেন।

এ প্রক্রিয়ায় সম্ভব না হলে, পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিচার বিভাগের দুজন প্রতিনিধি বাছাই কমিটিতে সদস্য হিসেবে যুক্ত হবেন, তবে তাঁরা কারও নাম প্রস্তাব করতে পারবেন না। সাত সদস্যের কমিটি পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে স্পিকারের তত্ত্বাবধানে র‌্যাঙ্কড চয়েজ পদ্ধতিতে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে একজনকে বেছে নেবেন। তবে এই পদ্ধতি নিয়ে বিএনপির ভিন্নমত রয়েছে এবং এটি জুলাই সনদের প্রস্তাবের ক্ষেত্রে মূল রাজনৈতিক মতবিরোধের একটি জায়গা।

জুলাই সনদে বলা হয়েছে, এভাবেও প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগ সম্ভব না হলে ত্রয়োদশ সংশোধনী অনুসরণ করতে হবে। তবে এক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে বেছে নেওয়া যাবে না। এই প্রস্তাব নিয়ে বিএনপি, জামায়াতসহ ২৮টি দল একমত ছিল।

গত শনিবার সংবিধান সংশোধন–সম্পর্কিত বিশেষ কমিটিতে একটি নতুন ধারণা এসেছে। সেটি হলো সংসদের উচ্চকক্ষের মেয়াদ নিম্নকক্ষের চেয়ে বেশি হবে। উচ্চকক্ষ থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া রাখা যায় কিনা, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে যদি উপরাষ্ট্রপতির পদ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে উপরাষ্ট্রপতিকে উচ্চকক্ষের স্পিকারের দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তাব এসেছে। বিকল্প হিসেবে এসেছে সরকারি দল ও বিরোধী দলের সম্মতিতে উচ্চকক্ষের স্পিকার নির্বাচিত হবেন এবং তাঁকেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করা ও অন্য উপদেষ্টাদেরও সরকারি ও বিরোধী দলের সম্মতিতে উচ্চকক্ষ থেকে নিযুক্ত করা হবে। বিশেষ কমিটির সভায় এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

সাবেক জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্য বদিউল আলম মজুমদার প্রথম আলোকে বলেন, যদি উচ্চকক্ষের স্পিকারকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান করা হয়, তাহলে এই সরকার গঠনের মূল উদ্দেশ্য পূরণ হবে না, কারণ তিনি রাজনৈতিক ব্যক্তি হবেন এবং এতে জটিলতা আরও বাড়বে। তিনি মনে করেন, নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকার প্রয়োজন এবং তা অবশ্যই ঐকমত্যের ভিত্তিতে করতে হবে। এক্ষেত্রে জুলাই সনদের প্রস্তাবে বেশ কিছু বিষয়ে ঐকমত্য থাকলেও, এখন রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন। এই সদিচ্ছা দেখাতে না পারলে দেশ ভয়াবহ সংকটের দিকে যেতে পারে।

জ্বালানি সংকট কাটাতে বাংলাদেশকে ৩২ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে জাপান জ্বালানি সংকট কাটাতে বাংলাদেশকে ৩২ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে জাপান ৩২ বছর পর আবারও বড়পর্দায় ফিরছে অক্ষয়-রাভিনার জনপ্রিয় ছবি মোহরা ৩২ বছর পর আবারও বড়পর্দায় ফিরছে অক্ষয়-রাভিনার জনপ্রিয় ছবি মোহরা এইচএসসির ফল প্রকাশের নতুন তারিখ ঘোষণা এইচএসসির ফল প্রকাশের নতুন তারিখ ঘোষণা ডেঙ্গুতে একদিনে রেকর্ড ১১ মৃত্যু, বছরে প্রাণহানি ৪০০ ছাড়াল ডেঙ্গুতে একদিনে রেকর্ড ১১ মৃত্যু, বছরে প্রাণহানি ৪০০ ছাড়াল রাজবাড়ীতে প্রকাশ্য দিবালোকে ব্যবসায়ী নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি রাজবাড়ীতে প্রকাশ্য দিবালোকে ব্যবসায়ী নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি নারীর সচ্ছলতা ও স্বনির্ভরতা সরকারের মূল অগ্রাধিকার: মাহ্দী আমিন নারীর সচ্ছলতা ও স্বনির্ভরতা সরকারের মূল অগ্রাধিকার: মাহ্দী আমিন জুলাই বিপ্লবে হামলার ঘটনায় মাকসুদ কামালসহ পাঁচজনের আত্মসমর্পণের নির্দেশ জুলাই বিপ্লবে হামলার ঘটনায় মাকসুদ কামালসহ পাঁচজনের আত্মসমর্পণের নির্দেশ নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যারিয়ার বিষয়ক রোডম্যাপ কর্মশালা অনুষ্ঠিত নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যারিয়ার বিষয়ক রোডম্যাপ কর্মশালা অনুষ্ঠিত দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি: ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ১১ জনের মৃত্যু দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি: ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ১১ জনের মৃত্যু স্বাস্থ্যসেবায় সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি জুবাইদা রহমানের আহ্বান স্বাস্থ্যসেবায় সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের প্রতি জুবাইদা রহমানের আহ্বান
সব খবর