শিশুদের সুস্থ ও মূল্যবোধসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে খেলাধুলাকে আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিএনপির ক্রীড়া সম্পাদক, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। তিনি মনে করেন, কেবল শিশুদের খেলাধুলায় ব্যস্ত রাখলেই হবে না, অভিভাবকদেরও শরীরচর্চা ও খেলাধুলায় সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত হতে হবে। একই সঙ্গে শিশুদের মোবাইল ও ডিজিটাল ডিভাইসের প্রতি অতিনির্ভরতা কমিয়ে তাদের মাঠমুখী করতে পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
শনিবার রাজধানীর পল্লবীর ২ নম্বর ওয়ার্ড কমিউনিটি সেন্টারে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সনদ, নগদ অর্থ ও ক্রেস্ট প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে আমিনুল হক সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানান যে, বর্তমান সরকার প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে প্রায় এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে, যারা ঘরে ঘরে গিয়ে মানুষকে রোগ প্রতিরোধ ও সুস্থ জীবনযাপনের বিষয়ে সচেতন করবেন। পাশাপাশি, খেলার মাঠে প্রবীণদের হাঁটার সুবিধার জন্য ওয়াকওয়ে নির্মাণের উদ্যোগও গ্রহণ করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচির মাধ্যমে সারা দেশের শিশু-কিশোরদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য গত ১ জুলাই থেকে অনলাইন নিবন্ধন শুরু হয়েছে, যেখানে ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশুরা অংশ নিতে পারবে। অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সন্তানদের খেলাধুলার পর্যাপ্ত সুযোগ করে দিলে তাদের মধ্য থেকেই ভবিষ্যতের জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদ তৈরি হওয়া সম্ভব।

















