নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গত পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দিতে ব্যর্থ হওয়া ২১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের জন্য সময়সীমা ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। ২২ আগস্ট শনিবার নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হিসাব জমা না দিলে সংশ্লিষ্ট দলগুলোর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
গত ৩১ জুলাই ২০২৫ সালের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার শেষ সময় ছিল। ওই সময়ের মধ্যে নিবন্ধিত ৬০টি দলের মধ্যে বিএনপি ও জামায়াতসহ ৩৮টি দল তাদের হিসাব জমা দেয়। এছাড়া ১৩টি দল সময় বাড়ানোর আবেদন করেছিল। তবে জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) সাতটি দল কোনো সাড়া দেয়নি। এর মধ্যে গত ১৩ আগস্ট জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) তাদের হিসাব জমা দিয়েছে এবং আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বর্তমানে স্থগিত রয়েছে।
নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, দলগুলোর আবেদনের প্রেক্ষিতেই সময়সীমা ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে যেসব দল হিসাব জমা দেয়নি, তাদের এই নতুন সময়ের মধ্যে অবশ্যই তা সম্পন্ন করতে হবে। অন্যথায় আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যেসব দল এখন পর্যন্ত কোনো সাড়া দেয়নি, তাদের মধ্যে রয়েছে এনসিপি, জনতার দল, আমজনতার দল, বাংলাদেশ জাসদ, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ, তৃণমূল বিএনপি ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি। এই দলগুলোকে সতর্ক করে চিঠি দেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো দল পর পর তিনবার আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা না দিলে নির্বাচন কমিশন সেই দলের নিবন্ধন বাতিল করার ক্ষমতা রাখে।

















