ইতালিতে পাঠানোর প্রলোভন দেখিয়ে লিবিয়ায় নিয়ে গিয়ে বন্দি করা হয় মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার যুবক সোহাগ মুন্সীকে। মানবপাচারকারী চক্রের খপ্পরে পড়ে তাকে চরম নির্যাতনের শিকার হতে হয়। চক্রটি তার মুক্তিপণ হিসেবে ৬০ লাখ টাকা দাবি করলে পরিবারের পক্ষ থেকে সেই অর্থ পরিশোধ করা হয়। তবে টাকা দেওয়ার পরেও শেষ রক্ষা হয়নি সোহাগের।
পাচারকারীরা মুক্তিপণের ৬০ লাখ টাকা পাওয়ার পর আরও ২৭ লাখ টাকা দাবি করে। সেই অতিরিক্ত টাকা দিতে দেরি হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে পাচারকারীরা সোহাগ মুন্সীকে গুলি করে হত্যা করে। নির্মম এই হত্যাকাণ্ডের পর তার মরদেহ গুম করে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

















