মাত্র চার দিন আগেই একই মাঠে কারাবাও কাপের ম্যাচে টাইব্রেকারে হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল ব্রাইটন অ্যান্ড হোভ অ্যালবিয়নকে। তবে ইত্তিহাদ স্টেডিয়ামে ফিরে এসে সেই পরাজয়ের মধুর প্রতিশোধ নিলো সিগলরা। ফ্যাবিয়ান হুরজেলের শিষ্যরা ম্যানচেস্টার সিটিকে ১-০ গোলে পরাজিত করেছে, যা ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের যুগে ব্রাইটনের জন্য সিটির মাঠে প্রথম জয়। এই জয় ব্রাইটনকে পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় অবস্থানে নিয়ে এসেছে, যেখানে তারা শীর্ষ দুই দলের চেয়ে মাত্র দুই পয়েন্ট পিছিয়ে আছে।
ম্যাচের শুরু থেকেই ব্রাইটন নিজেদের আধিপত্য বজায় রেখে খেলতে থাকে। একাদশ মিনিটে মাথেউস নুনেসের রক্ষণভাগের ভুলে বল পেয়ে যান ইয়াসিন আয়ারি। সেই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে দারুণ শটে দলকে এগিয়ে দেন এই মিডফিল্ডার। পিছিয়ে পড়ার পর এনজো মারেস্কার শিষ্যরা সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে এবং সফরকারীদের ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করে।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যানচেস্টার সিটির একের পর এক আক্রমণ রুখে দিয়ে দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন ব্রাইটন গোলকিপার বার্ট ভারব্রুগেন। পুরো ম্যাচে সাতটি দুর্দান্ত সেভ করে তিনি দলকে রক্ষা করেন। বিশেষ করে আরলিং ব্রাউট হালান্দ ও নুনেসের প্রচেষ্টাগুলো তিনি দারুণ দক্ষতায় প্রতিহত করেন। খেলার শেষ মুহূর্তে নিকো ও’রাইলির হেড লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে ঘরের মাঠে টানা দ্বিতীয় হারের লজ্জা নিয়ে মাঠ ছাড়ে সিটিজেনরা।
গত সপ্তাহে অ্যাস্টন ভিলার বিপক্ষে হারের পর প্রিমিয়ার লীগে এটি সিটির টানা দ্বিতীয় হার। গত বছরের আগস্টের পর থেকে লীগে এমন টানা হারের অভিজ্ঞতা তাদের আর হয়নি। এই জয়ের মাধ্যমে ব্রাইটন পয়েন্ট টেবিলে আর্সেনাল ও ম্যানচেস্টার সিটির ঠিক পরেই নিজেদের শক্ত অবস্থান জানান দিলো।
ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে সিটির একের পর এক আক্রমণ রুখে দেন ব্রাইটন গোলকিপার ভারব্রুগেন। সারাক্ষণ ব্যস্ত থাকা এই ডাচ গোলকিপার পুরো ম্যাচে মোট ৭টি দুর্দান্ত সেভ করে দলকে রক্ষা করেন। আরলিং ব্রাউট হালান্দ ও নুনেসের প্রচেষ্টাগুলোও দারুণ দক্ষতায় প্রতিহত করেন ভারব্রুগেন। অন্তিম মুহূর্তে নিকো ও'রাইলির হেড লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে ঘরের মাঠে

















