বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (যবিপ্রবিসাস) অষ্টম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা, কেক কাটা, নবীন সদস্যদের বরণ, সাবেক সদস্যদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে এক আনন্দ শোভাযাত্রার মাধ্যমে দিনের কার্যক্রম শুরু হয়। পরবর্তীতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম একাডেমিক ভবনের সামনে কেক কাটা হয় এবং একই ভবনের ডিজিটাল ক্লাসরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও যবিপ্রবিসাসের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর। তিনি বলেন, একটি দেশের জন্য সাংবাদিকতা যেমন পিলারের মতো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, তেমনি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সাংবাদিক সমিতিও একটি গুরুত্বপূর্ণ পিলার। উপাচার্য প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন যে, সাংবাদিকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার দিকগুলো প্রশাসনের সামনে তুলে ধরবেন এবং প্রশাসন তা সমাধানের উদ্যোগ নেবে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের সঙ্গে সাংবাদিক সমিতিকে সহযোগিতাপূর্ণ মনোভাব বজায় রাখার আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সাংবাদিক সমিতিসহ সংশ্লিষ্ট সবার ভূমিকা অনস্বীকার্য। তিনি আরও যোগ করেন, সাংবাদিক সমিতি ক্যাম্পাসের কার্যক্রম, অর্জন ও সম্ভাবনা তুলে ধরার পাশাপাশি দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে সাংবাদিক সমিতির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
সমাপনী বক্তব্যে যবিপ্রবিসাসের সভাপতি রুহুল আমিন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধিতে সাংবাদিক সমিতি সবসময় ইতিবাচক ভূমিকা পালন করেছে এবং আগামীতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে উল্লেখ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্য ও গবেষণার পাশাপাশি যেকোনো অনিয়ম, দুর্নীতি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাংবাদিক সমিতির সদস্যরা বস্তুনিষ্ঠভাবে কলম চালিয়ে যাবে। তিনি অনুষ্ঠানকে সাফল্যমণ্ডিত করায় উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষসহ উপস্থিত সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।

















