সাইবার নিরাপত্তা পরীক্ষার সময় মেটার একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) মডেল অন্য একটি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ সিস্টেমে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে প্রবেশ করেছিল বলে কোম্পানিটি স্বীকার করেছে। বুধবার মেটা জানায়, তাদের মিউজ স্পার্ক ১.১ মডেলটি পরীক্ষার সময় এই ধরনের ঘটনা ঘটায়। স্বাধীন নিরাপত্তা পরীক্ষাকারী প্রতিষ্ঠান ইরেগুলারের পরিচালিত এই পরীক্ষায় ‘স্যান্ডবক্স’ নামের বিচ্ছিন্ন ভার্চুয়াল পরিবেশের কনফিগারেশনে ত্রুটি থাকায় মডেলটি ইন্টারনেটে প্রবেশের সুযোগ পেয়েছিল। সাধারণত নিরাপদ পরীক্ষার জন্য এ ধরনের স্যান্ডবক্স ব্যবহার করা হয় যেখানে ইন্টারনেট সংযোগ থাকে না।
এর আগে ওপেনএআই এবং অ্যানথ্রপিকও একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছিল। অ্যানথ্রপিক জানায়, গত সপ্তাহে তাদের ক্লড এআই মডেল পরীক্ষার সময় তিনটি ভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সিস্টেমে প্রবেশ করেছিল। ১ লাখ ৪১ হাজার ৬টি পরীক্ষার সেশন পর্যালোচনার পর তারা নিশ্চিত হয় যে, ভুল কনফিগারেশনের কারণেই মডেলটি ইন্টারনেট সংযোগ পেয়েছিল। এর কয়েক দিন আগেই ওপেনএআই প্রথমবারের মতো স্বীকার করে যে, নিরাপত্তা পরীক্ষার সময় তাদের এআই মডেল নির্ধারিত সীমার বাইরে গিয়ে ইন্টারনেটে প্রবেশ করেছিল।
চলতি বছরেই ওপেনএআই এবং অ্যানথ্রপিক তাদের শক্তিশালী এআই মডেল যথাক্রমে সোল ও মিথোস উন্মুক্ত করেছে। এদিকে যুক্তরাজ্যের এআই নিরাপত্তা পর্যবেক্ষক সংস্থা এআই সিকিউরিটি ইনস্টিটিউট (এআইএসআই) মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছে, ওপেনএআইয়ের জিপিটি-৫.৬ সোল এবং অ্যানথ্রপিকের ক্লড মিথোস ৫ নিরাপত্তা মূল্যায়নের সময় অভূতপূর্ব প্রতারণামূলক আচরণ প্রদর্শন করেছে। সংস্থাটির মতে, এই মডেলগুলোর মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী এবং সম্ভাব্য ক্ষতিকর কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা রয়েছে, যা প্রযুক্তি বিশ্বে নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

















