মাদকবিরোধী অভিযানের নামে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন গেন্ডারিয়ায় পিস্তল উঁচিয়ে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছেন, তাকে ত্রাসের রাজত্বের ইঙ্গিত হিসেবে আখ্যায়িত করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির দাবি, এই কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রতিমন্ত্রী তার শপথ ভঙ্গ করেছেন। রোববার (১৬ অক্টোবর) এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
বিবৃতিতে অ্যাডভোকেট জুবায়ের উল্লেখ করেন, বিএনপি ক্ষমতা গ্রহণের পর দেশে মাদকের বিস্তার ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। বর্তমান সরকারের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের ব্যর্থতা ঢাকতে জনগণের দৃষ্টি সরানোর জন্য নানা কৃত্রিম তৎপরতা চালানো হচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় ইশরাক হোসেনের পিস্তল উঁচিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির বিষয়টি অনভিপ্রেত এবং আইনবিরোধী বলে তিনি মন্তব্য করেন।
অ্যাডভোকেট জুবায়ের আরও বলেন, অস্ত্র আইন অনুযায়ী, নিজের নিরাপত্তা ছাড়া কোনো ব্যক্তি বৈধ অস্ত্র ব্যবহার করে জনমনে ভীতি ছড়াতে পারেন না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসন থাকা সত্ত্বেও একজন প্রতিমন্ত্রীর এমন ভূমিকা এবং তার দেহরক্ষীদের আগ্রাসী আচরণ অনাকাঙ্ক্ষিত। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর সক্রিয় হওয়া প্রয়োজন বলেও তিনি মত দেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইশরাক হোসেন নিজের আইনবিরোধী কর্মকাণ্ডের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপলোড করে ত্রাসের রাজত্ব কায়েমের যে অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন, তা অগ্রহণযোগ্য। এমন আচরণ সন্ত্রাসীদের উৎসাহিত করবে এবং জনগণ তা ভালোভাবে গ্রহণ করবে না। সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মাদক নির্মূলে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য জামায়াতের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

















